ঢাকা   ০১:১৫:৪০ পিএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বর্ণিল শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক রেডিওলজি দিবস পালি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চন্দনাইশে নানা আয়োজনে সাংসদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চন্দনাইশে উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত মাগুরায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  আনোয়ারা আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সাথে, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

আগামীকাল হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান মংসাজাই চৌধুরীর অন্তর্দান দিবস।

আবদুল আলী, গুইমারা খাগড়াছড়ি।
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৪৫৪ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

১৩ ই জানুয়ারী খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের বড়পিলাক মৌজার সাইংগুলি পাড়ার পটু চৌধুরীর ছেলে মংসাজাই চৌধুরীর অন্তর্দান দিবস। ১৯৮৯ সালের ১৩ ই জানুয়ারী তিনি অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমতার স্বীকার হন বলে জানা গেছে।

খোজ নিয়ে জানাযায়, গুইমারা উপজেলার মারমা সম্প্রদায়ের সম্ভ্রান্ত পরিবারের ১৯৩৬ সালের ১৩ জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন মানবপ্রেমী মংসাজাই চৌধুরী।
ছোটকাল থেকে তিনি রাষ্ট্র ও মানুষের কল্যানে অবদান রেখে গেছেন। ১৯৭৯/৮০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার অভ্যন্তরে বাঙালীদের বসতিস্হাপনে তার ব্যাপক অবদান ছিল। মৌজাপ্রধান হিসেবে তিনি নিজে সরেজমিনে উপস্হিত থেকে বাঙালিদের বসতি স্হাপনের প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বড়পিলাক গ্রামের প্রবীন বাসিন্দরা। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যান্ত যোগ্যতার সাথে।

যার ফলশ্রুতিতে ২২/০৪/৮৪ সালে হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালী কিছুদিন তিনি রামগড় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন। আর ১৯৮৯সালে পার্বত্য অশান্ত পরিস্থিতিকে শান্ত করার লক্ষ্যে ২১সদস্য বিশিষ্ট লিয়াজো কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৮৬ সালে শান্তিবাহিনী কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩ জেলায় ব্যাপকভাবে বিভিন্ন এলাকায় হত্যা অগ্নিসংযোগ সহ সহিংসতা চালালেও তার কারনে বড়পিলাক মৌজাতে কোন আক্রমণ করতে পারেনি। তিনি রাষ্ট্র মানুষের পক্ষে থাকায় তৎকালীন শান্তিবাহীনী তাকে টার্গেট করে ১৯৮৯ সালের ১৩ জানুয়ারী তার নিজ বাড়ী সাইংগুলি পাড়া থেকে রাতের আধারে ধরে নিয়ে যায়। তারপর থেকে তিনি আর ফিরে আসেনি। তার একমাত্র ছেলে কংজরী চৌধুরী বাবার আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে রাষ্ট্র ও মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ধারাবাহিকতায় তিনি প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা সম্পন্ন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়ুক্ত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মংসাজাই চৌধুরীর অন্তর্দান দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ১৩ জানুয়ারীতে মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপজেলা কমিটি শহীদ মংসাজাই চৌধুরী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। আগামীকাল ১৩ জানুয়ারী গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটি নানা আয়োজনে পালন করবে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি