1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
'কৃষকদের কথা ভাবুন' - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫ই সেপ্টেম্বর লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ এফ এ এফ মাল্টিলিঙ্গোয়াল স্কুল এন্ড কলেজে’র অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিবাদে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মানববন্ধন  বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনগণের স্বার্থ: পরিবর্তন চাই, তবে কার জন্য? নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রয়াত বিএনপি নেতা আবুল হোসেন মানিকের কবর জিয়ারত করলেন এমপি ফখরুল ইসলাম  চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানা ভুক্ত ৪ আসামী গ্রেফতার সাবেক মেয়র মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিএনপি’র ৮৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কর্ণফুলীতে বাউন্ডারি গেইট ভেঙে জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরার শ্রীপুরে নানা আয়োজনে বি এন পি’র  ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত উৎসবমুখর পরিবেশে রামগড়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

‘কৃষকদের কথা ভাবুন’

রবিউল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১২৬১ বার

আলু আমাদের খাবারের তালিকায় নিত্য সঙ্গী। স্বাদ কিংবা পরিমাণ বাড়াতে প্রায় সব রকমের তরকারিতে আলু একটি দরকারি শস্য। কিন্তু আলু চাষিদের খবর কি আমরা রেখেছি?

মাঠ পর্যায়ে কৃষকেরা ৫-৬ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করছে ১০-১১ হাজার টাকা্য। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে আমাদের কৃষক বাঁচবে কি করে?

শুধু আলুই নয়। ধান, গম,ভুট্টা, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে প্রায় সব রকমের কৃষি পন্যের ন্যায্য মূল্য আমাদের কৃষকেরা পায় না।

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগান দিয়ে নিজেদের দায় এড়ানো যায় না।

এই সমস্যা সমাধানে দরকার সঠিক পরিকল্পনা। মূলত চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলে ফসলের দাম কমে য়ায। আমার মতে কতিপয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত আমাদেরকে প্রতিটি কৃষি পন্যের বাৎসরিক চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সারাদেশব্যপী নির্দিষ্ট কৃষি পন্য উৎপাদন অঞ্চলে ভাগ করতে হবে। যেমন, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর অঞ্চল আলু চাষের জন্য উপযোগী। আবার পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চল পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী। নির্ধারিত অঞ্চলে নির্ধারিত শস্য ছাড়া অন্য কোন শস্য যাতে কৃষকেরা উৎপাদন না করে সেজন্য কার্যকরী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে আমাদের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে।
এ বিষয়ে আরো কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষিবিদদের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক, ডিকে মহাবিদ্যালয়
রানীসংকৈল, ঠাকুরগাঁও

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net