ঢাকা   ০৩:২৮:৫৯ পিএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার আগাম বার্তা পাবেন কৃষকরা উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

সিইউএফএল সার কারখানার বিষাক্ত পানি খেয়ে ১২ মহিষের মৃত্যু

প্রতিনিধি,আনোয়ারা( চট্টগ্রাম) ;;
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৯৪ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানির (সিইউএফএল) নির্গত এমোনিয়ার বিষাক্ত পানি মাঝেরচর এলাকায় গোবাদিয়া খালের পানিতে মেশে বিষাক্ত হয়ে পড়ে। এ খালের পানি খেয়ে রবিবার সকালে গবাদি পশুর মৃত্যুর এই দূর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ তার পেইজবুক ওয়ালে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে কারখানার বিষাক্ত পানি স্থানীয়দের অবগত না করে খালে ছাড়ে ওই প্রতিষ্ঠান। এসব পানি খেয়ে বিভিন্ন সময় গরু-মহিষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর আগেও বেশ কয়েকবার এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে। বারবার বিষাক্ত পানি খেয়ে গবাদি পশুর মৃত্যু ঘটনা ঘটলেও সেটিকে তেমন গুরুত্বই দিচ্ছেনা সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ। কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য মিশ্রিত পানি খালে ছেড়ে দেয়ার কারণে বার বার এই ধরণের ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সিইউএফএলের পাশে বসুন্ধরা চর এলাকায় স্থানীয় লোকজনদের পালন করা মহিষগুলো চড়ে। গবাদি পশুগুলো পিপাসার্ত হলে পাশের গোবাদিয়া খাল থেকে পানি পান করে।

আজ প্রতিদিনের মত গোবাদিয়া খালে পানি খেয়ে স্থানীয় মো. নুর মোহাম্মদ ,মো হোসেনের , ইব্রাহিমের ইসহাক মোট ১২ টি মহিষ মারা যায়। এগুলো ছাড়া আরো ৪-৫ টি মহিষ বিষাক্ত পানি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সবমিলিয়ে স্থানীয় লোকজনের প্রায় ২০ লাখ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৃত মহিষগুলো খালের পাড়েই পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে মহিষের মালিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসময় পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সিইউএফএলের বিষাক্ত বর্জ্য মিশ্রিত পানি খালে ছেড়ে দেয়ায় বার বার এই ধরণের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন মহিষের মালিকরা। তবে নিয়ম অনুসারে বিষাক্ত পানি মিষ্টি করে নির্গত করার কথা উল্লেখ থালে কতৃপক্ষের কাম খেয়ালীর কারনে এই দূর্ঘটনা হয়ে থাকে। মহিষের মালিক নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রতিদিনের মত আমাদের মহিষগুলো বসুন্ধরা চরন ভুমিতে চড়ে থাকে । সেখান থেকে গোবাদিয়া খালের পানি পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মহিষগুলো খালের পাড়ে মরে পড়ে থাকে। বার বার সিইউএফএলের খামখেয়ালির কারণে আমাদের মহিষগুলো মারা যায়। আমরা এ ধরণের ঘটনা আর যাতে না ঘটে তার একটি সুষ্ঠু সমাধান চাই।

এ বিষয়ে ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি-সিইউএফএলের জেনারেল ম্যানেজার মঈনুল হক জানান, মহিষ মারা যাওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদর ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ঘটনাস্থলে তাদের গবেষণাগারের দল খালের পানি সংরক্ষণ করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি