ঢাকা   ০৫:১৪:৪৬ এএম, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা মাগুরায় মধুমতী নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত  কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার আগাম বার্তা পাবেন কৃষকরা উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

চৌদ্দগ্রামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩০৮ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও একটি নবনির্মিত সেমি-পাকা বিল্ডিং ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের বাবুচি বাজারে।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে ভুক্তভোগি হাবিবুর রহমান উল্লেখ করেন, ভাংচুরকৃত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেমি-পাকা বিল্ডিং ঘরটি আমি পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির উপর নির্মাণ করেছি। বিবাদী সৈকত হোসেন, মাছুম বিল্লাহ, আবদুল মান্নানের সাথে সম্পত্তি নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার সকালে তাদের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা বাজারে অবস্থিত মাইশা টিম্বার এন্ড স’মিলে হামলা চালিয়ে দোকানঘর ভাংচুর করে এবং দোকানে থাকা মূল্যবান ফার্ণিচারসহ মালামাল লুট করে নেয়। এ সময় তারা বিরোধকৃত সেমি-পাকা বিল্ডিংটির চারদিকের দেয়াল, দরজা-জানালা হ্যামার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এছাড়া ফার্ণিচার দোকানের ক্যাশে রক্ষিত দুই লক্ষ টাকাসহ দামী ফার্ণিচার লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে হাবিবুর রহমান দাবী করেন।

বিবাদী সৈকত হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, ভাংচুরের ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।

এ ব্যাপারে ঘোলপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কে খোকন বলেন, ভাংচুরের ঘটনাটি সত্য। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুই পক্ষই আমার কাছে এসেছে। আমি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেছি এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি