ঢাকা   ০৫:৪৬:১১ এএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা 

প্রধানমন্ত্রীর ঘর বন্টনে পটিয়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে দুনীর্তির অভিযোগ

মুজিব উল্ল্যাহ্ :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২
  • ৩১৪ বার
  • ১০ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহারের ঘর বন্টনে এক আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্দ্রজিত চৌধুরীর স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে ওই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি জিতেন কান্তি গুহের বিরুদ্ধে অনিয়ম,দুনীর্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সুর্বনা দাশ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিএম জসিমের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, চেয়ারম্যানের মা মজুনা বেহম, মেজবাহ উদ্দিন, ইমতিয়াজ উদ্দিন।

লিখিত বক্তব্যে সুর্বনা দাশ বলেন, হাইদগাঁও ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র মানুষের জন্য ৪০টি ঘর উপহার দিয়েছেন। এ ঘর বন্টনে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন। যারা টাকা দিতে পারেনি তাদের তালিকা থেকে বাদসহ বিভিন্ন হুমকি ধমকি প্রদান করেন এবং কৌশলে দরিদ্র মানুষের থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে আ’লীগ নেতা জিতেনকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। জিতেন পদ হারানোর পর থেকে এলাকায় জায়গা দখল থেকে শুরু কিশোরগ্যাং এর মাধ্যমে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। গত ২৯ এপ্রিল একটি অনুষ্ঠানে জিতেনকে পেয়ে ক্ষুব্ধ লোকজন লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে ২০ মিনিট পর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম জসিমসহ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরর্বতীতে সুর্বনার স্বামী ইন্দ্রজিত চৌধুরী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়েন করেন। জিতেনের গুন্ডাবাহিনীর হাতে এলাকার লোকজন জিম্মি। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মিথ্যা মামলা, হুমকি ধমকি দেওয়া হয়।

দুণীর্তিবাজ জিতেন গুহ সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে মনজু দত্ত, বিজলী চৌধুরী, বাসু চৌধুরী, পার্থ চৌধুরী, রতন চৌধুরীর পরিবার থেকে বিভিন্ন অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। জিতেনের এমন দূর্ণীতির কথা দলের মধ্যে চাউর হলে তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতিও দেওয়া হয়। মুলত টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারিকে ভিন্নখাতে নিতে আমার স্বামী ও স্থানীয় চেয়ারম্যান বিএম জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সুবর্ন দাশ বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার পর তিনি পুলিশের ভয়ে পলাতক রয়েছেন। জিতেন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় প্রতিদিন মহড়া দিচ্ছে। তারা আমার স্বামীকে পেলে হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতাই ভোগছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জীবনের নিরাপত্তা চায় আমরা। প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীর ঘর বন্টনে পটিয়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে দুনীর্তির অভিযোগ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহারের ঘর বন্টনে এক আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্দ্রজিত চৌধুরীর স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে ওই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি জিতেন কান্তি গুহের বিরুদ্ধে অনিয়ম,দুনীর্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সুর্বনা দাশ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিএম জসিমের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, চেয়ারম্যানের মা মজুনা বেহম, মেজবাহ উদ্দিন, ইমতিয়াজ উদ্দিন।

লিখিত বক্তব্যে সুর্বনা দাশ বলেন, হাইদগাঁও ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র মানুষের জন্য ৪০টি ঘর উপহার দিয়েছেন। এ ঘর বন্টনে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন। যারা টাকা দিতে পারেনি তাদের তালিকা থেকে বাদসহ বিভিন্ন হুমকি ধমকি প্রদান করেন এবং কৌশলে দরিদ্র মানুষের থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে আ’লীগ নেতা জিতেনকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। জিতেন পদ হারানোর পর থেকে এলাকায় জায়গা দখল থেকে শুরু কিশোরগ্যাং এর মাধ্যমে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। গত ২৯ এপ্রিল একটি অনুষ্ঠানে জিতেনকে পেয়ে ক্ষুব্ধ লোকজন লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে ২০ মিনিট পর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম জসিমসহ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরর্বতীতে সুর্বনার স্বামী ইন্দ্রজিত চৌধুরী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়েন করেন। জিতেনের গুন্ডাবাহিনীর হাতে এলাকার লোকজন জিম্মি। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মিথ্যা মামলা, হুমকি ধমকি দেওয়া হয়।

দুণীর্তিবাজ জিতেন গুহ সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে মনজু দত্ত, বিজলী চৌধুরী, বাসু চৌধুরী, পার্থ চৌধুরী, রতন চৌধুরীর পরিবার থেকে বিভিন্ন অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। জিতেনের এমন দূর্ণীতির কথা দলের মধ্যে চাউর হলে তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতিও দেওয়া হয়। মুলত টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারিকে ভিন্নখাতে নিতে আমার স্বামী ও স্থানীয় চেয়ারম্যান বিএম জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সুবর্ন দাশ বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার পর তিনি পুলিশের ভয়ে পলাতক রয়েছেন। জিতেন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় প্রতিদিন মহড়া দিচ্ছে। তারা আমার স্বামীকে পেলে হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতাই ভোগছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জীবনের নিরাপত্তা চায় আমরা। প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি