1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় মৌচাষে স্বাবলম্বী আজিম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন  ভাঙ্গুড়ায় ইট কিনার অগ্রিম ৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ফেরত না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নামে মামলা,গ্রেফতার (১) কোম্পানীগঞ্জের রামপুর ইউনিয়নে গাছের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় যুবকের যুবকের মরদেহ উদ্ধার  এ বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না, ধারণা প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান শহীদ ফরহাদ হোসেন স্মৃতি চাকসু আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো চবিতে

মাগুরায় মৌচাষে স্বাবলম্বী আজিম

মোঃ সাইফুল্লাহ ;
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৪০০ বার

মধু চাষ, মধু সংগ্রহ ও মধু বিক্রিতেই বছরের প্রায় পুরো সময় কেটে যায় মাগুরার মৌচাষী আজিমের। এক সময়ে সরিষা, এক সময়ে ধনিয়া-কালো জিরা, আবার আরেক সময়ে লিঁচু বাগানে বাক্স পেতে মধু চাষ এ যেন তার বার্ষিক ক্যালেন্ডার। চার বছর আগে জামালপুরের শেরপুর পাহাড় থেকে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় রাণী মাছিসহ ৫৩ টি বাক্সে ৩০০ টি চাক কিনে আনেন তিনি।বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৬ টি বাক্সে ১১ শ’টি চাকে দাঁড়িয়েছে। আর এগুলো দিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন তার মৌ-চাষ। আজিমের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার তারাউজিয়াল গ্রামে। সরে জমিন গিয়ে মাগুরা শহর থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে সদর উপজেলার সত্যপুর, লক্ষ্মীপুর ও আড়োপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেলো এক অসাধারণ দৃশ্য। মাঠের পর মাঠ সরিষার ক্ষেত। সেখানে আজিমের দু’টিমৌ-খামারে হাজার হাজার মৌমাছি বাক্সের মধ্যে ঢুকছে আর বের হচ্ছে। মাথা থেকে গলা পর্যন্ত জালআবৃত টুপি পড়ে আজিম মৌমাছির পরি চর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। তিনিসহ চার জন সেখানে মৌচাষে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। পরিচর্যার ফাঁকে ফাঁকে বিস্তর কথা হয় আজিমের সঙ্গে। তিনি জানান,চলতি সরিষা মৌসুমে ৭ থেকে ৮ বার মধু আহরণ করা হবে। প্রতিবার ১০মণ থেকে ১২ মণ মধু উৎপাদন হবে। এতে করে চলতি সরিষা মৌসুমে আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ মণ মধু উৎপাদন হবে।

যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৪ লাখ থেকে ১৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যেই ৫ বার মধু আহরণ করা হয়েছে। প্রতি কেজি মধু ৪ শ’ টাকা থেকে ৫ শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এ মধু ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকারী ক্রেতারা এসে খামার থেকেই নিয়ে যান। অনেকে বিদেশেও নিয়ে যান।দেড়মাস সরিষার মধু আহরণের পর ট্রাক ভরে মৌমাছির বাক্স নিয়ে মাদারীপুর জেলায় ধনিয়া ও কালোজিরার মধু সংগ্রহের জন্য চলে যাবেন। সেখানে এক মাস ১০ দিন মতো থাকবেন। মধু সংগ্রহ হবে ২ থেকে ৩বার। যার পরিমাণ হয়ে থাকে ৩৫ থেকে ৪০ মণ। তবে কালোজিরার মধুর দামবেশি। প্রতিকেজি কালোজিরা ফুলের মধু এক হাজার থেকে ১২ শ’ টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে। যার আনুমানিক মূল্য ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকা। মাদারীপুরে দেড় মাসের মতো থাকার পর আবার ফিরে আসবেন মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামের লিঁচু বাগানে। সেখানেও ৩ বার মধু আহরণ করা হবে। এতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মণ মধু উৎপাদন হবে। যার বাজার মূল্য ১২ থেকে১৩ লাখ টাকা। আজিম আরো বলেন, তারা ৪ জন লোক সার্বক্ষণিক শ্রম দিয়ে চলেছেন।আর এসব মোমাছির বাক্স এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতেও অনেক খরচ। আছে অতিবৃষ্টি বা ঝড়ে অনেক মাছি মারা যায়। অনেক বাক্স ভেঙে যায়। তাছাড়া উৎপাদনের সময়টুকু বাদ দিলে বাকি সময়ে মৌমাছিদের চিনি খাওয়াতে হয়। তবে সব খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ থাকে তা অন্য যে কোনো ব্যবসার চেয়ে বেশি। তিনি এ মৌ-চাষ করে আজ অনেক স্বাবলম্বী। এ দিয়েই অনেক স্বচ্ছন্দে চলছে তার সংসার। সেই সঙ্গে সঞ্চয় হচ্ছে বেশ অর্থ। আর তার মধুতে কোনো প্রকার ভেজাল নেই বলে তিনি মানুষের হালাল জিনিস খাওয়াচ্ছেন। এটাও তার পরম পাওয়া বলে তিনি মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net