1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
খেতাব-বঞ্চিত সেক্টর কমাণ্ডার মেজর জলিল ও মেজর জয়নুলকে স্বীকৃতিদানের জন্য অধ্যাপক বার্ণিকের আহ্বান - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন হাজী আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

খেতাব-বঞ্চিত সেক্টর কমাণ্ডার মেজর জলিল ও মেজর জয়নুলকে স্বীকৃতিদানের জন্য অধ্যাপক বার্ণিকের আহ্বান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৩৮ বার

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কিছু কাজের বিরোধিতা করার কারণে ২ জন সেক্টর কমাণ্ডারকে শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব-বঞ্চিত করেন। তাঁরা হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের খাঁটি বীর মেজর এমএ জলিল এবং মেজর জয়নুল আবেদীন খান। তাঁরা দুজনেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে ৯ম সেক্টর কমাণ্ডার ছিলেন।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এই দেশপ্রেমিক দুজন সেক্টর কমাণ্ডারই তাদের সমক্ষে ঘটে যাওয়া ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কিছু কাজের প্রতিবাদ করেছিলেন। সে কারণে ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত করে গেজেট প্রকাশের সময় শেখ মুজিবুর রহমান ভারতকে খুশি কারার জন্য তাঁদেরকে মুক্তিযুদ্ধের খেতাব দেননি। এমনকি ভারতীয় বাহিনী এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মেজর এম এ জলিলকে বন্দি করেও রেখেছিলো। এজন্যেই মেজর জলিলকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দি বলা হয়।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর্যন্ত এই দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দানের বিষয়টি কেউ উচ্চারণ করেননি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সরকার সমান ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।
২০২৪ সালের জাতীয় গণ-অভ্যুত্থানের পর এই মহাসত্যটির মীমাংসা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি । বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি-সহ ড. মুহম্মদ ইউনুস সরকারের নিকট দেশবাসীর পক্ষে দাবি করছি, খেতাব-বঞ্চিত উক্ত দুজন সেক্টর কমাণ্ডারকে খতাব দিয়ে অবিলম্বে গেজেট প্রকাশ করা হোক।
এ কাজটি করা হলে, একদিকে শেখ মুজিবের মুখোশ উন্মোচিত হবে, এবং, অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধাদের সম্মানিত করে আপনারাও সম্মানিত হবেন
—-অধ্যাপক এমএ বার্ণিক
সভাপতি , জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net