1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে অবৈধ পুকুর খনন বানিজ্য - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে অবৈধ পুকুর খনন বানিজ্য

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২২২ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক :-

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলাসহ কয়েকটি উপজেলায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে অবৈধ পুকুর খনন বানিজ্য। স্থানীয় সাংবাদিকরা স্পেসিফিক তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করলেও নানা ব্যস্ততার কথা বলে কালক্ষেপণ করতে দেখা গেছে। উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ম্যানেজ হওয়ার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।প্রকাশ্য দিবালোকে পুকুর খনন করলেও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না উপজেলা প্রশাসন। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলামকে অবৈধ পুকুর খনন বিষয়ে অবগত করেও প্রতিকার মিলছে না এই উপজেলায়।

এদিকে ১২ ডিসেম্বর আতাহার নামক এলাকায় আবাদি জমি কেটে মাটি নিয়ে যাচ্ছিলেন আসলাম খান নামক জনৈক ব্যক্তি।এতে বাধা দেন গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই আলতাফ হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের উৎকোচ না দিয়েই আপনাকে মাটি ওঠাতে কে বলেছে।আপনি থানায় দেখা না করে আর গাড়ী চালাবেন না।বলে তিনি স্থান ত্যাগ করেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুধু মাটি কাটতে নিষেধ করেছি। সেটা যদি না করা যায় আমরা আর নিষেধ করবো না। এগুলো উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব।

এসআই কুদ্দুস এর ব্যতিক্রম নয়। তিনিও ১৩ ডিসেম্বর আমতলার কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির গাড়ীর চাবি কেড়ে নেন এবং বলেন, আমার সাথে কথা না বলে তোমার মাটি কাটার সাহস কি করে হলো।
তর্কাতর্কীর এক পর্যায়ে উভয়ে সেখান থেকে সরে যান। এসআই কুদ্দুস বলেন,এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। তদন্ত ওসি মোয়াজ্জেম তাকে থানায় দেখা করতে বলেছিলেন নিষেধ করার জন্য।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোনাদিঘী এলাকায় অবৈধ পুকুর খনন চলমান অবস্থায় এসিল্যান্ড অভিযান চালিয়ে স্কেভেটরের ৪ টি ব্যাটারী জব্দ করেন। একই পুকুর খননে আবারও তিনি অনুমতি প্রদান করেন।

জোতজয়রাম মৌজায় চাষাবাদযোগ্য জমি কাটছেন সিএনবি এলাকার ইয়ার খান নামক জনৈক ব্যক্তি। উক্ত অবৈধ খননের বিষয়ে জানতে ফোন করা হয় তাকে। এতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পুকুর খনন করতে অনুমতি লাগে কে বলেছে আপনাকে। যাদের সাথে কথা বলা দরকার আমি বলেছি। আপনারা অন্য বিষয় দেখেন।এসব আপনাদের দেখতে হবে না।

গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন, আপনারা তথ্য দিয়েছেন আমরা সুবিধা মত দেখবো বিষয়টি।

পদক্ষেপ নিয়েছেন কি না ইউএনও আবুল হায়াতের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা শুধু পুকুর নিয়ে পড়ে থাকবো নাকি। ধরবো তাদের সময় হলে।

এদিকে আবদুল মতিনের অভিযোগ, আমি ১০ ডিসেম্বর অনাবাদি জমি কেটে আবাদযোগ্য করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছি। আমি এখনো অনুমোদন পাইনি। অথচ এসিল্যান্ডের অভিযানে বন্ধ হওয়া পুকুরের আবেদন আমার ২ দিন পর করেও সে অনুমতি পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net