1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঘোষণাপত্রে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট অন্তর্ভুক্ত না করলে বর্জনের ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

ঘোষণাপত্রে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট অন্তর্ভুক্ত না করলে বর্জনের ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৯১ বার

আজ বুধবার সকাল ১১.৪৫ টায় জুলাই ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনের রোডম্যাপের প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছে গণঅধিকার পরিষদ। এতে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁন।

লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁন বলেন,”জুলাই ঘোষণাপত্রের ১৬ নং দফায় বলা হয়েছে, “সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ইত্যাদি…. ” ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয় ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১ম ও ২য় শ্রেণির চাকরিতে বাতিল হওয়া কোটার অংশবিশেষ (৩০%) হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে ফিরে না আসলে, নতুনভাবে আন্দোলনের সূচনা হতোনা। এখানে দুর্নীতি প্রতিরোধ বা অন্য কোন দাবিতেও আন্দোলন শুরু হয়নি। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট কোটা সংস্কার আন্দোলন। কিন্তু এই আন্দোলনের ইতিহাস বাদ দিয়ে মিথ্যা ইতিহাসের উপর জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা মনে করি, গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের ১৮ থেকে ২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস বাদ দিতে পরিকল্পিতভাবে জুলাই ঘোষণাপত্রে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। ইতিহাস বিকৃতি বড়ধরনের অপরাধ। জুলাই ঘোষণাপত্রের এই ইতিহাস আগামী প্রজন্মকে মিথ্যা শেখাবে। ঠিক ৭১ নিয়ে যেভাবে আমাদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে। তাহলে আওয়ামীলীগের তৈরি ইতিহাস ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি ইতিহাসের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

জুলাই ঘোষণাপত্রের ১৭ নং পয়েন্টে বলা হয়েছে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে…. কিন্তু জাতীয়সংঘ বলছে এই সংখ্যা ১৪০০ এর বেশি, সরকারি গেজেটেড শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন। তাহলে কি আমরা সেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের শহীদের সংখ্যার মত জুলাইয়ের শহীদের সংখ্যা নিয়েও রাজনীতি করবো? কেন ৬ জন শহীদের লাশ ১ বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলে পড়ে থাকে? কেন গণকবর দেওয়া শহীদের পরিচয় আজও চিহ্নিত করা গেলো না? আবার যে ফ্যাসিবাদী বাহিনীর কথা বলা হচ্ছে, এই বাহিনীর যারা ছাত্র জনতার বুকে গুলি চালিয়ে হত্যা বিপ্লবীদের হত্যা করেছে, তাদেরকে কেন আজও গ্রেফতার করা হলো না? এই বাহিনীগুলোর আজও সংস্কার হলো না?

জুলাই ঘোষণাপত্রের ১৮ নং পয়েন্টে বলা হয়েছে, গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়…. হাসিনা কি সত্যিই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়? আজও আমরা জানিনা কিভাবে হাসিনা ভারতে চলে গেলো? সেসময়ই তাকে গ্রেফতার করা জরুরি ছিলো। সে এতো মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে। তার বিচারের জোরালো দাবি করা হয়। কিন্তু যার নির্দেশে এতো প্রাণ ঝরে গেলো, এতো রক্ত, এতো পঙ্গুত্ব, তার বিরুদ্ধে শুধুমাত্র রায় ঘোষণা করে দিলেই কি বিচারসম্পন্ন হয়ে যাবে? হাসিনাকে শতবার ফাঁসিতে ঝুলালেও শাস্তি কম হয়ে যায়।

জুলাই ঘোষণাপত্র থেকে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ভ্যটবিরোধী আন্দোলন, শাপলাচত্বরের হত্যাকাণ্ড, নরেন্দ্র মোদির আগমন বিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, পরিকল্পিত বিডিয়ার বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন সেনা অফিসারের হত্যাকাণ্ড, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি স্থান পায়নি। এসব ঘটনা এই প্রজন্মের মস্তিষ্ক ও মনস্তত্ত্বে বিপ্লবের বীজ বপণ করে ও তারুণ্যকে বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করে। কিন্তু কেন ও কোন উদ্দেশ্য তারুণ্যের এই সংগ্রামকে জুলাই ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হলো না?

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এতে ১/১১ সৃষ্টির ধোঁয়াশা কেটে গেছে। কিন্তু নির্বাচনের আগে ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। ”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, উচ্চতর পরিষদ সদস্য

আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, এ্যাড. সরকার নূরে এরশাদ সিদ্দিকী প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net