ঢাকা   ১০:২৫:৪৮ এএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  চন্দনাইশে নানা আয়োজনে সাংসদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত চন্দনাইশে উপজেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত মাগুরায় ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  আনোয়ারা আইডিয়াল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সাথে, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০

নীলফামারী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর তথ্য গোপন করে মনোনয়ন দাখিল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬২ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মো:জাকির হোসেন নীলফামারী  প্রতিনিধি

নীলফামারী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম দুই স্ত্রী থাকা সত্বেও এক স্ত্রীর তথ্য গোপন করে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

 

জানা গেছে,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন গেলো বছরের ২৯ ডিসেম্বর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামানের কাছে। গত ২ জানুয়ারী মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ে তার স্ত্রীর তথ্য যাচাই বাছাই না করে তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান। পরে তার হলফনামায় দেখা গেছে, তার দুই স্ত্রীর মধ্যে বড় স্ত্রী এরিনা বেগমের নাম ও তার সন্তানদের তথ্য প্রকাশ করা হলেও ছোট স্ত্রী শারমিন বেগম ও তার সন্তান সাবিহা মণি (৫) কোন তথ্য নির্বাচনী অঙ্গীকারনামায় ব্যবহার না করে তা গোপন রেখেছেন। যাহা নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী অপরাধ।

 

 

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি এক স্ত্রীর তথ্য প্রদানের বিষয় স্বীকার করে বলেন,আমি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, ডিজিএফআই,এনএসআই ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এক স্ত্রী ও সন্তানদের তথ্য প্রদান করেছি। এটা দোষের কিছু নেই। আপনাদের কে অভিযোগ করেছে সেই বিষয়ে আপনারা ডিসি অফিসে যান আমার কাছে আসছেন কেন? তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে বলেন,আমার পিছনে লাগতে আসবেন না,আমার কোন স্ত্রীর তথ্য দিলাম আর কোন স্ত্রীর নাম দিলাম না সেটা খোঁজ নেয়ার সাংবাদিকের কাজ নয়,সাংবাদিকরা শিষ্টাচার বহির্ভূত ভাবে এগুলো কাজ করছে।

 

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও  জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামানের মুঠোফোনে এই বিষয়ে একাধিকবার কল করার পরেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি