ঢাকা   ০১:০৭:১৪ পিএম, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষা সফরের আনন্দ রূপ নিল বিভীষিকায়, প্রাণ হারালেন শিক্ষিকাসহ দুজন- আহত ৩০ সাতকানিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন ৬০০ রোগী শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৫ আসামী গ্রেফতার নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক

চলতি বছরে চবিতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে : উপাচার্য প্রফেসর ড. আল ফোরকান

কে এম ইউসুফ, চট্টগ্রাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৫ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

সবুজে ঘেরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২,৩৫০ একর আয়তনের প্রায় ৮৫ শতাংশই পাহাড়ি এলাকা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আমাদের অন্যতম দায়িত্ব” চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেছে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সারা বিশ্বেই দৃশ্যমান। সেই প্রেক্ষাপটে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

 

চবি প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যােগে এবং চবি ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় আজ বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) চবি জীববিজ্ঞান অনুষদ সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন উপাচার্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।

 

উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এবছরও আমরা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি। ইতোমধ্যে ১১ একর এলাকায় বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পুরাতন গোডাউন এলাকায় আরও ১৪ একর পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু হবে। সব মিলিয়ে এ বছর ২৫ একর জমিতে প্রায় ২৫ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট এ কাজটি সুন্দরভাবে তত্ত্বাবধান করছেন।

 

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মাণ হয়নি। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একাধিক নতুন আবাসিক হলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়নের এ কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি পরিবেশের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ’ এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ হাছান মিয়া,ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক তাহসিনা রহমানসহ চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল আহাদ, অন্যান্য প্রকৌশলীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি