1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ইউএনও’র অভিযান, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস আইফোন নয় পাওনা টাকা চাওয়াতে অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঁদুর রঙ মিশ্রণে মরিচ লাল করায়, লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর  চৌদ্দগ্রামে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি জব্দ ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা

মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ বার

মাগুরা শ্রীপুরের  আমলসার ইউনিয়নের কোদলা গ্রাম এলাকায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলী বিলিন! হুমকিতে গ্রামের ৫শত  পরিবার।

 

গত কয়েক দিনের নদী ভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হারিয়ে গেছে বহু কৃষকের সারা বছরের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন। চোঁখের সামনে নিজেদের চেনা জানা ফসলি মাঠ নদীতে বিলীন হতে হতে  অনেক অসহায় পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

 

 

বর্তমানে পুরো কোদলা গ্রাম জুড়ে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভাঙনের এই ধারা অব্যাহত থাকায় আরও অন্তত ২০ একর ফসলি জমি চরম নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এই জমিও নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

 

 

সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, ভাঙনের তীব্রতায় এলাকার একমাত্র প্রতিরক্ষামূলক নদীর বেড়িবাঁধটির কিছু অংশ ইতোমধ্যে ভেঙে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সম্পূর্ণ বেড়িবাঁধটি নদীগর্ভে ধসে পড়তে পারে। আর এই বেড়িবাঁধটি যদি পুরোপুরি ভেঙে যায়, তবে কোদলা গ্রামের অন্তত ৫’শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে। তলিয়ে যাবে শত শত ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি।

 

 

 

ভিটেমাটি ও জমি হারানো কোদলা গ্রামের মানুষগুলোর চোখে এখন শুধুই অন্ধকার। নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারগুলো অসহায় পড়ে পড়েছেন। এলাকাবাসী অত্যন্ত আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন এবং ভাঙন ঠেকাতে ও বেড়িবাঁধটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 

 

যদি এখনই স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তবে মানচিত্র থেকে কোদলা গ্রামের এক বিশাল অংশ এবং ৫০০ পরিবারের আশ্রয় চিরতরে হারিয়ে যাবে গড়াইয়ের বুকে।

 

 

৬৫ বছর বয়সী কোদলা গ্রামের মোকাররম আলী বলেন, নদীর পাড়েই আমার বাড়ি। এখানে আমাদের এলাকার অনেকের অনেক জায়গা জমি ছিলো। নদী ভাঙতে ভাঙতে বেড়িবাঁধের কাছে চলে এসেছে। আর হাত দুই বেড়িবাঁধ ভাঙলে আমরা অনাহারে মারা যাবো।

 

 

একই গ্রামের অনিতা রাণী বলেন, আমার বাপের বাড়ি নদীর ওপারে। বিয়ের পর ৩৫ বছর ধরে আমি এই গ্রামে বাস করছি। আমি দেখেছি একসময় এখানে এই এলাকার মানুষ চাষাবাদ করতো। গরু-ছাগল বাঁধতো। ছেলেরা মাঠে খেলা করতো। সব এখন নদীর মাঝে চলে গেছে।

 

 

কোদলা গ্রামের বাসিন্দা নাসিমা বেগম বলেন, রাতে ভয়ে ঘুমাতে পারিনা। শুধু আতঙ্কে থাকি ঘুমের মাঝে কখন যেন নদী আমাদের ডুবিয়ে দেয়।

 

 

 

এ বিষয়ে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সন্তোষ কর্মকার বলেন, আমলসার ইউনিয়নের কোদলা স্থানের নদী ভাঙনের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করছি। সেখানে যদি কাজ করার অনুমতি পাই তাহলে অতি দ্রুত কাজ শুরু করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net