চট্টগ্রাম বায়েজিদ বোস্তামী(তারা গেইট) উপমহাদেশের অন্যতম সুফি হযরত খাজা আবু আলী সিন্ধী শাহ (রহ.)-এর বার্ষিক ওরশ মোবারক ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ২৬ (শনিবার) রাতে মাজার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
ওরস ও মিলাদ মাহফিলে দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো আশেকান, ভক্ত এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
হযরত খাজা আবু আলী সিন্দি ( রহ) মাজার শরীফ ওয়ার্কফ এস্টেট এর উদ্দোগে আবু আলী সিন্দি (রঃ) বার্ষিক ওরশ শরীফ ও পবিত্র ঈদে মিল্লাদুনবী (দঃ) মাহফিল ওয়ার্কফ এস্টেট এর মোতওয়াল্লী বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব সৈয়দ আজম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রুবি গেইট নুরিয়া বিষু দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন পিরে তরিকত আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ মুঈনউদ্দীন নূরী আল কোরাইশি, আলোচনায় তিনি বলেন, মিল্লাদুনবীর শিক্ষা হল আমলে ছালেহ করা পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়লা বার বার আমলে ছালেহ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মাহফিলে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, দরবার পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন চৌধুরী, মুফতী ছালেহ সুফিয়ান ফারহাদাবাদী, মোহাম্মদীয়া কাফেলার চেয়ারম্যান সূফী কামরুল ইসলাম
মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, মাফিল আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আজিজ উদ্দীন মিন্টু, সদস্য সচিব মো.মামুন আলম, জাফর আহমদ খোকন, মুকবুল আহম্মদ,মো.শাহাদত হোসেন চাঁন মিয়া, বিশিষ্ট সমাজ রফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, দরবারের সাধারন সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ চিশতীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কাজী মাওলানা এম এ হান্নান জিলানী,মাওলানা কাজী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল হান্নান মিয়াজি প্রমুখ।
বার্ষিক ওরস ও মিলাদুন্নবী মাহফিলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিলেো, কোরআনখানি ও জিকির-আজকার: মাহফিলের শুরুতে পবিত্র কোরআন খতম, খতমে গাউছিয়া এবং দিনব্যাপী দফায় দফায় জিকির-আসগারের আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল: বরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী এবং ওলি-আউলিয়াদের আধ্যাত্মিক অবদান ও শিক্ষার ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন। এরপর সমবেত কণ্ঠে মিলাদ ও কিয়াম পরিবেশন করা হয়। আখেরী মোনাজাত: মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ভক্তদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত বা দোয়া পরিচালনা করা হয়।তবররুক বিতরণ: অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকল ভক্ত, আশেকান ও সাধারণ মেহমানদের মাঝে ঐতিহ্যবাহী তবররুক বিতরণ করা হয়।