1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
টাকা ছাপতে এক বছরে খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি টাকা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
টাকা ছাপতে এক বছরে খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি টাকা কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত শিশু, প্রতিবন্ধী ও এতিমদের মাঝে সাহায্য সামগ্রী বিতরণ  দুর্ঘটনার ৫ দিন পর হাটহাজারী কলেজ শিক্ষার্থী মাহিনের মৃত্যু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শনাক্তে থাকবে কিউআর কোড মাগুরায় গুদামে অভিযান, ৩২৮ বস্তা সার জব্দ; আটক -২ হাতিয়ায় ২০০০ লিটার চোরাই ডিজেল ও মবিল জব্দ, গ্রেফতার ১ মাগুরায় অবৈধ ভাবে সার মজুদ রাখার দায়ে দুই জনের নামে মামলা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মৎস্য প্রজেক্ট থেকে ২০ মণ মাছ চুরির অভিযোগ 

টাকা ছাপতে এক বছরে খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি টাকা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার

টাকার নোট ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নোট মুদ্রণ বাবদ খরচ হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। 

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নোট মুদ্রণের ব্যয় বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে পুরোনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট ছাপানো হয়।

ব্যাংক নোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য উপকরণ বিশেষায়িত ও আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা হয়। দেশে নোট মুদ্রণের কাজ করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড (এসপিসিবিএল)।
 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোট মুদ্রণে ব্যয় হয়েছিল ৩৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এর আগের অর্থবছর ২০২২-২৩ সালে এ খাতে ব্যয় হয় ৩৭৪ কোটি ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে নোট মুদ্রণের ব্যয় ছিল ৩৮৪ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা।

তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই নোট মুদ্রণে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ছাপানোর জন্য ব্যবহৃত কাগজ ও কালি বিশেষায়িত হওয়ায় এসব উপকরণের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সীমিত। ফলে দাম নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগ তুলনামূলক কম।

তিনি বলেন, এটি বিশেষায়িত কাজ। কালি ও কাগজ বিশেষভাবে তৈরি করায় খরচ বেশি হয়। সব দেশ টাকা ছাপানোর কাগজ তৈরি করে না। তাই সরবরাহকারীদের সঙ্গে খুব বেশি দর-কষাকষি করার সুযোগও থাকে না।

আরিফ হোসেন খান বলেন, এবার নোট মুদ্রণের ব্যয় বাড়ার পেছনে বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব রয়েছে। বৈশ্বিকভাবে কাগজের দাম বেড়েছে, পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থায় (সাপ্লাই চেইন) সমস্যা হয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি থাকা নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে।

তবে নতুন নকশার নোট চালুর কারণে মুদ্রণ ব্যয় বেড়েছে-এমনটি মনে করেন না বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মকর্তা। তার মতে, নকশা পরিবর্তনের ব্যয় খুবই কম। নতুন নকশার কারণে মূলত নোট মুদ্রণে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net