1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঢাকার মীরপুর “ল” কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন থিয়েটার ইউনিট মাগুরার তিন দিনব্যাপী অভিনয় কর্মশালা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলজ পরিবেশ রক্ষা করতে হবে – আবু সুফিয়ান এমপি জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি আনোয়ারায় তিন দোকানীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ

 স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (SUB)-এর আইন বিভাগের চেয়ারম্যান জিনাত আমীন শিপার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ শিবলী আইন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বলে সংশ্লিষ্ট ছাত্রদলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সাব্বিরের অভিযোগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগবিরোধী পোস্ট দেওয়ার কারণে তাকে আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের দপ্তরে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় এবং একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। ‘রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বহিষ্কারের হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়’ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদলের ২৬ সেপ্টেম্বরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। সংগঠনটির দাবি, কোনো শিক্ষার্থীর রাজনৈতিক মতাদর্শ বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কারণে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা বহিষ্কারের হুমকি দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং নিরাপদ একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। একই সঙ্গে সাব্বির আহমেদ শিবলীর একাডেমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত অপর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও একই অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি ঘটনাটির তদন্ত, হুমকি প্রদান বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়।

জিনাত আমীনের বিরুদ্ধে আরও নানা অভিযোগ এদিকে আইন বিভাগের চেয়ারম্যান জিনাত আমীনের ভূমিকা নিয়ে বিভাগটির কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আরও নানা অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিভাগ ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী কার্যক্রমে পছন্দের শিক্ষার্থী বা নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া, কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে পক্ষপাত এবং ভিন্নমত পোষণকারীদের ওপর চাপ প্রয়োগের মতো অভিযোগও রয়েছে এমনটাই দাবি শিক্ষার্থীদের। তাদের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যাচ ও শিক্ষার্থী সংগঠনের কার্যক্রমে পছন্দের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রভাবশালী অবস্থানে রাখা হয় এবং তাদের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হয়। কেউ এর বিরোধিতা করলে তাকে তলব, ভর্ৎসনা কিংবা হুমকির মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিতর্ক ক্লাব নিয়েও প্রশ্ন: আইন বিভাগের বিতর্কচর্চা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ল ডিবেটিং সোসাইটির বিভিন্ন কমিটি গঠন ও কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে পক্ষপাত ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে সদস্য নির্বাচন ও দায়িত্ব বণ্টনের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি কিছু কমিটিতে রাজনৈতিক পরিচয় ও ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অনলাইন তথ্য মতে জিনাত আমীন বর্তমানে SUB Law Debating Society-এর মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তাঁর অনুমোদনে সংগঠনটির দশম কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা করা হয়। ‘বিভাগে ভিন্নমতের পরিবেশ সংকুচিত হচ্ছে’ অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বিভাগের জুনিয়র শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। কেউ সেই বলয়ের বাইরে থাকলে তাকে অপমান, হুমকি কিংবা বিভিন্নভাবে চাপে রাখার অভিযোগও রয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষাদানের মান নিয়েও কিছু শিক্ষার্থী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক বিষয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের কারণে বিভাগের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে শিক্ষাদানের মান, পরীক্ষার খাতায় পক্ষপাত, শিক্ষককে বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া কিংবা নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সুবিধা দেওয়ার মতো অভিযোগগুলোরও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে এসব বিষয়কে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য কী? স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান জিনাত আমীন শিপার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ এবং অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার জন্য অনুসন্ধানী টিম কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সমান গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি সেপ্টেম্বরেই SUB-এর আইন বিভাগের উদ্যোগে চার দিনব্যাপী ‘ল’ ফেস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে আইন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে জিনাত আমীন শিপা সভাপতিত্ব করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। কয়েক মাস আগে ডিপার্টমেন্টাল পলিটিক্স এর মাধ্যমে ডিপার্টমেন্ট এর সদ্য-সাবেক চেয়ারম্যান পারভেজ আলম’কে সরিয়ে নিজে ডিপার্টমেন্ট এর চেয়ারম্যান হয়েছেন। এর পর থেকে ওনার স্বেচ্ছাচারিতা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। যিনি বর্তমানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ডিন হিসেবে কর্মরত আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net