https://www.dailyshamolbangla.com/
এলডিপি‘র প্রেসিডিয়াম সদস্য, অলি পুত্র অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে আসার জন্য কোনো আবেদন করেন নাই। ১৯ ডিসেম্বর ট্রাভেল পাস পেয়ে আবেদন করেছিলেন। গত ২ বছরে বিদেশী বিনিয়োগ, রেমিডেন্সের অবস্থা খুবই খারাপ। এলডিপির প্রতিনিধি সংসদে না থেকেও কর্ণেল অলি প্রেসিডেন্ট পদে ৮৮ ভোট পেয়েছিলেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মাননীয় প্রেসিডেন্ট মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বাইরে গিয়ে মাত্র ৮ ভোট পেয়ে ২৫৫ ভোট পেয়েছিলেন। কর্ণেল অলি কারো সাথে বেইমানি বা দলবদল করেন নাই, দেশে উদার গণতন্ত্র, জনগণের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ২০ বছর পূর্বে এলডিপি গঠন করেছিলেন। ঐ সময় তাঁর সাথে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদোজা চৌধুরীসহ অনেকেই ছিলেন। বিএনপি এলডিপি‘র মহাসচিব ও চন্দনাইশ এলডিপি নেতা জসিম উদ্দিনকে মনোনয়ন দিয়েছেন। কর্ণেল অলি পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছেন। জামায়াতের সাথে রাজনৈতিক জোট করেছেন মাত্র। তাছাড়া দেশে ইসলামি দলগুলোকে অনুমোদন দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন বলে আজকে সবাই জোট বদ্ধ হয়ে নির্বাচন করছেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল ২৬ অক্টোবর বিকালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে চন্দনাইশ এলডিপি‘র পক্ষ থেকে জাতীয়, দলীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কগুলো পদক্ষিন শেষে চন্দনাইশ সদরস্থ শাহ আমিন পার্কে আলোচনা সভা এলডিপি নেতা লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা এলডিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লিয়াকত আলী চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকতার আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা এলডিপির সভাপতি মোতাহের মিয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চন্দনাইশ পৌরসভা এলডিপির সভাপতি এম আইনুল কবির, শাহাদত হোসেন মুন্না ও জমির উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন, জামায়াত নেতা মাওলানা কুতুব উদ্দিন, কাজী কুতুব উদ্দিন, এলডিপি নেতা যথাক্রমে আনোয়ারুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবালুর রহমান, সামশুল ইসলাম, সাঈদ ইবনে খায়ের, মোজাম্মেল হক, দক্ষিণ জেলা গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের সভাপতি হাসান আল মাসুদ, পৌরসভার সদস্য সচিব রবিউল করিম রবি প্রমূখ।