একসময়ে অনিয়ম আর দালালের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ থাকলেও সে চিত্র এখন অতীত নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের
কর্মকর্তাদের দাবি, সঠিক নথিপত্র থাকলে কোনো সেবাগ্রহীতা এখন আর হয়রানির শিকার হন না।
পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা জানান, দালালমুক্ত ঘোষণার পাশাপাশি পুরো ভবনটি এখন সিসিটিভি ও কঠোর নজরদারির আওতায়। অফিসের প্রবেশমুখে আনসার ও স্টাফদের সতর্ক অবস্থান।
পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি মাসে এখানে আবেদন জমা পড়ছে প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার.
যা দৈনিক গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জন।
আগে যেখানে লাইনে দাঁড়িয়ে কাটত ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এখন সেখানে কাজ শেষ হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ মিনিটেই। এমন পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো দালালের মাধ্যমে না এসে সরাসরি আবেদন করার পরামর্শ নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট উপপরিচালক মো: মেহেদী হাসান।
নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট উপপরিচালক মো: মেহেদী হাসান আরো বলেন, যদি কোনো কর্মী অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে, তবে সরাসরি তার সাথে দেখা করারও পরামর্শ তার প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় অন্য জেলার মানুষও এখানে আবেদন করছেন নিয়মিত।
তবে সেক্ষেত্রে চাকরি বা বসবাসের বৈধ প্রমাণের বিষয়ে আপসহীন কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি।
সেবা নিতে আসা আলাউদ্দিন নামে একজন জানান, আমি এর আগে আমার পাসপোর্ট করতে এসে হয়রানির শিকার হয়েছিলাম। এখন আমার ভাই এর পাসপোর্ট করতে এসে এখন কোন প্রকার হয়রানির শিকার হতে হয় নিজেরা আবেদন করে জমা দিয়ে আজ পাসপোর্ট হাতে পেলাম।