উৎসবমুখর পরিবেশ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনের ‘কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণ-২০২৬’ সম্পন্ন হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত এ ভ্রমণে ক্লাবের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।
কর্মব্যস্ত সাংবাদিকজীবনের একঘেয়েমি দূর করা, সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং আনন্দঘন কিছু সময় একসঙ্গে কাটানোর উদ্দেশ্যে এ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়।
টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি পীরজাদা নোয়াব আলীর পরামর্শে সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান সাহা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিঠন শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ জাফর আলীর সার্বিক প্রচেষ্টা ও ব্যবস্থাপনায় ভ্রমণটি অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজারে অবস্থানকালে সদস্যরা সমুদ্রসৈকতের মনোরম পরিবেশ উপভোগের পাশাপাশি হাসি-আড্ডা, গল্প, ছবি তোলা ও আনন্দ ভাগাভাগিতে মেতে ওঠেন।
সমুদ্রের বিশালতা ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে সহকর্মীদের সঙ্গে কাটানো সময় ভ্রমণটিকে আরও আনন্দময় করে তোলে।
ভ্রমণের বিভিন্ন সময়ে সদস্যরা দলবদ্ধভাবে ছবি তুলে আনন্দঘন মুহূর্তগুলো স্মৃতির পাতায় ধরে রাখেন।
আয়োজকদের মতে, কর্মব্যস্ততার বাইরে এ ধরনের আয়োজন সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক ও বন্ধন আরও দৃঢ় করেছে।
ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকেরা সারা বছর নানা ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তাই কর্মব্যস্ততার বাইরে সহকর্মীদের নিয়ে এমন আয়োজন সবাইকে কিছুটা স্বস্তি ও আনন্দ দিয়েছে। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের উপদেষ্টা মনসুর শেখ, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাদের, আইনবিষয়ক সম্পাদক শামীমা খাতুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রোকেয়া কিয়া, অলিদুর রহমান অলি, জাহিদ হাসান, জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান, শাহিন কাউসার, রবিউল শেখ, এস কে সানি, সাইফুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন জুয়েল, আকতার ডালি, পারভেজ মারুফ, চায়না আক্তার, আশরাফুল ইসলাম শ্রাবণ, দেলোয়ার হোসেন, তারেক জাহাঙ্গীর, তাসলিমা আক্তার, তানজিলা আক্তারসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।
আয়োজকেরা জানান, এ আনন্দ ভ্রমণ শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়; বরং ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি উদ্যোগ।
ভবিষ্যতেও সদস্যদের নিয়ে এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।