1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বাল্যবন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন মির্জা ফখরুল, শোনালেন কবিতা ! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশে ঢুকছে নতুন মাদক ‘কুশ’: কতটা বিপজ্জনক এই মাদক? এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধ: মেহজাবীন দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মাটিরাঙ্গায় সরকারি চাল-গম মজুদ রাখায়, দোকানিকে জরিমানা ও পণ্য জব্দ রায়ের পরও জটিলতায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের জমি, ইউএনও-এসিল্যান্ড-পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের অভিযোগ মাগুরায় ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৫০০ জন নারী পুরুষকে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান মাগুরায় মাদকাসক্ত ব্যাক্তির ছুরিকাঘাতে পুলিশের এসআই আহত ছোটফরিংগা সীমান্তে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনে আগুন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফেনী নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

বাল্যবন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন মির্জা ফখরুল, শোনালেন কবিতা !

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ২৪১ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

দীর্ঘদিন পর স্কুলের সহপাঠীদের কাছে পেয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মিলনমেলায় বন্ধুদের সাথে স্মরণ করেন ফেলে আসা সেই পুরোনো দিনের কথা। শৈশবের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। নিজেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি করে শোনান বাল্যবন্ধুদের।
সম্প্রতি গত ১৫ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় হাওলাদার হিমাগার লিমিটেড প্রাঙ্গণে শৈশবের বন্ধুদের আয়োজনে মিলনমেলায় যোগ দেন মির্জা ফখরুল। তবে এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। শৈশবের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে মৃত বন্ধুদের স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমার ঘনিষ্ট বন্ধু কুদ্দুস আমাদের মাঝ থেকে অনেক আগেই চলে গেছেন। মনোয়ার চলে গেছেন, যার সাথে সারাদিনে একবার দেখা না হলে খারাপ লাগতো। এমন অনেকেই আমাদের কাছ থেকে চলে গেছেন। আমরা যারা এখনো বেঁচে আছি, একটু বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। এই বাঁচাটা হচ্ছে নিজেকে অনুভব করা যে, আমি আছি, আমি বেঁচে আছি।’এ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বাল্যবন্ধু সালাম, মোসাদ্দের, লতিফ, ডাক্তার কবিরকে। যারা এখন বেশিরভাগ ঘর থেকে বের হন না। যেমন হুমায়ন স্যার, রবি দা। তারা ঘর থেকে বের হন না। আজ আমরা তাদের ঘর থেকে বের করে এনে একসাথে করার সুযোগ করেছি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ। আজ সকালে বন্ধু আনিসুরকে দেখতে গিয়েছিলাম। একেবারেই শয্যাশায়ী, নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন। জানি না আমরা কে কখন চলে যাব। কিন্তু যাওয়ার আগে অন্তত আজকের দিনটা আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন স্কুলে পড়ি খুবই দুষ্টু ছিলাম। বখরান সাহেব ছিলেন আমাদের ক্যাপ্টেন। আমরা দুষ্টুমি করতাম। একদিন ক্যাপ্টেন আমাদের নামে হেড স্যার রোস্তম আলী স্যারকে নালিশ করলেন। এর কিছুদিন পর হেড স্যার আমাদের সবাইকে ডেকে পাঠালেন। ঘরের ভেতরে লাইন করে দাঁড় করালেন এবং সবাইকে একটা করে বেত দিলেন। আমাদের সেই শৈশব ও স্কুলের জীবন আমি কখনই ভুলতে পারি না। আমার সব সময় মনে হয়, আমরা সেই দিনগুলো যদি আমার ফিরে পেতাম?’বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বন্ধুদের সঙ্গে রংপুরে এক কাজে গিয়েছিলাম। রাতের বেলা কী করব? তাই ঠিক করলাম সিনেমা দেখবো। কিন্তু সিনেমা দেখার জন্য তখন আমাদের হাতে টিকিট ছিলো না। তারপরও ভিড় ডিঙিয়ে টিকিটের ব্যবস্থা করে সিনেমা দেখেছি। এগুলো আমার কাছে এখনো মধুর স্মৃতি হয়ে আছে।’এ সময় কবিতা আবৃত্তির অনুরোধ করা হলে তিনি বলেন, ‘এক সময় আবৃত্তি করতাম। এখন করি না, বক্তৃতা করি। তারপরও আমি চেষ্টা করব কবিতা আবৃত্তি করার। কারণ এক সময় আমিও নাটক করেছি, রঙ মেখেছি। এক সময় নাট্যগোষ্ঠীর সাথে কাজ করতাম। আড্ডার সময় মির্জা ফখরুল তার প্রিয় কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ আবৃত্তি করে শোনান তার বন্ধুদের।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net