1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিই বর্তমান সরকারের প্রধান পথ: তথ্যমন্ত্রী - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আত্মগোপনে থাকার পর ডিবির হাতে গ্রেপ্তার সাবেক মেয়র রাসেল ও বশির আহমেদ নাজিরহাট পৌরসভার প্রকল্প পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের পরিচালক ঈদগাঁওয়ে পরিবেশ রক্ষায় থানা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গ্রীনপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি -২০২৬ অনুষ্ঠিত রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ বাবাকে অবশেষে চিকিৎসায় নিলেন প্রবাসী ছেলে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া খাতুন ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা  মাগুরায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের ওপর হামলার অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেবাচিমে ভর্তি

শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিই বর্তমান সরকারের প্রধান পথ: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৬৪ বার

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশীয় ও বৈশ্বিক বাস্তবতায় কোনো শত্রু তৈরি না করে সর্বত্র মিত্র তৈরি করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারের কাছে শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি এবং বহুপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে চলার নির্জোট রাজনীতিই প্রধান পররাষ্ট্রনীতি।

 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে পিআইবি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্লেষণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র ও অর্থনীতি পরিচালনা করতে কিছু অনিবার্য উপাদানের ওপর দাঁড়াতে হচ্ছে। আমাদের আমদানির প্রধান উৎস চীন ও ভারত। তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রধান গন্তব্য আমেরিকা ও ইউরোপ, রেমিট্যান্সের মূল উৎস মধ্যপ্রাচ্য এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তার জন্য আমরা কাতার এবং রাশিয়ার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্টের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতায় আমাদের এমন একটি স্বাধীন নীতি অবলম্বন করতে হবে, যা এই বিপরীতমুখী সবকটি উপাদানকে একসাথে অ্যাসেম্বল বা সমন্বয় করতে পারে।’

 

 

 

তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের আগের একদলীয় শাসন ও কূটনৈতিক স্থবিরতা থেকে বেরিয়ে বহুদলীয় ব্যবস্থা, পশ্চিমামুখী অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও মুসলিম বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছিলেন। এমনকি বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সাথে নিয়ে সার্ক গঠনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোকে একটি আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক কাঠামোতে রূপান্তর করেছিলেন।’

 

স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার জন্য জাতীয় স্বকীয়তা চেনার ওপর গুরুত্বারোপ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের স্বকীয়তা সম্পূর্ণ নিজস্ব। বাঙালি হিসেবে আমাদের কোনো সার্টিফিকেটের জন্য কলকাতার বুদ্ধিজীবীদের কাছে যেতে হয় না, কিংবা আমাদের মুসলমানিত্বের সনদের জন্য পিন্ডি বা করাচির মসজিদের ইমামের শরণাপন্ন হতে হয় না। এই যে স্বকীয়তার চেতনা, তা শহীদ জিয়াই আমাদের চিন্তার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।’

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সঞ্জীব রেড্ডি শহীদ জিয়াকে দেওয়া সংবর্ধনায় লিখিতভাবে তাঁকে বাংলাদেশের ‘মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। শহীদ জিয়া নিজেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এমন এক মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, ভারতের রাষ্ট্রপতিও তাঁকে এই সম্মান দিতে বাধ্য হয়েছিলেন; অথচ আওয়ামী লীগ ও তাদের বলয়ের বুদ্ধিজীবীরা এখনো তা স্বীকার করতে চায় না। কারণ আওয়ামী লীগ নিজেদের ভারতের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করতেই বেশি পছন্দ করে।’

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের রেমিট্যান্স বাড়াতে হবে, মাটির নিচের নিজস্ব জ্বালানি উত্তোলন করতে হবে এবং প্রয়োজনে আমাদের নিজস্ব শর্ত ও স্বার্থ বজায় রেখে ভারত, নেপাল বা ভুটান থেকে হাইড্রো পাওয়ার আনতে হবে। বৈচিত্র্যময় ও বিপরীতমুখী বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে ধরে রাখার জন্য যে নীতিগত শক্তির প্রয়োজন, তা সর্বশেষ আমরা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান থেকে গ্রহণ করেছি।’

 

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (বিআইপিএসএস) সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান। আলোচনা করেন বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ ও ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান।

 

মূল প্রবন্ধে মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান বলেন, কোনো দেশের নেতৃত্ব শুধু অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশ ও দেশের স্বার্থকে কোথায় নিয়ে যেতে পেরেছেন, সেটিই নেতৃত্বের আসল মাপকাঠি। সেই মাপকাঠিতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ছিল অত্যন্ত সফল এবং তাঁর সময়কাল ছিল বাংলাদেশের কূটনীতির এক স্বর্ণযুগ।

 

আলোচনায় অংশ নিয়ে আবু রুশদ বলেন, ‘১৯৭১ সালের মার্চে দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রথম সম্মুখ বিদ্রোহটি করেছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ-এর প্রবক্তা হিসেবে দেশের সকল জাতিসত্তাকে এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।’

 

পিআইবি’র মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, ডেইলি ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, বিআইপিএসএসে’র সিনিয়র ফেলো শাফাকাত মনির, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ওয়ারেস করিমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net