ঢাকা   ০৬:২৪:৩১ পিএম, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা

যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

বসে থেকে অলস সময় পার না করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ছিল তাঁর বরাবরই। সেই স্বপ্ন পূরণের প্রথম ও প্রধান ধাপটি শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। নিজের মেধা, শ্রম আর সঠিক দিকনির্দেশনাকে কাজে লাগিয়ে আজ তিনি একজন পুরোপুরি স্বাবলম্বী মানুষ। তিনি কুমিল্লা নগরীর সুবর্ণা চৌধুরী, যিনি সম্প্রতি তাঁর এই অদম্য পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ লাভ করেছেন ‘সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা।

 

সুবর্ণা চৌধুরী জানান, ২০১৭ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে ‘সেলাই এবং ব্লক-বাটিক’ কোর্সে ভর্তি হওয়াটা ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে সেরা সিদ্ধান্তগুলোর একটি। সেখানে দক্ষ প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি কাপড়ের কাটিং, নিখুঁত সেলাই এবং ব্লকের হরেক রকমের নকশা ও রঙের সঠিক ব্যবহার শেখেন। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়েই তাঁর ভেতর এক নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম নেয়। তিনি বুঝতে পারেন, এই শিল্পকে কাজে লাগিয়েই গড়ে তোলা সম্ভব একটি চমৎকার ক্যারিয়ার।

 

প্রশিক্ষণ শেষ করেই ঘরে থাকা সাধারণ একটি সেলাই মেশিন এবং অতি সামান্য পুঁজি নিয়ে শুরু হয় সুবর্ণার কর্মজীবন। শুরুর দিকে অর্ডার পাওয়া বা নিজের তৈরি পণ্য বিক্রি করাটা বেশ কঠিন ছিল। তবে দমে যাননি তিনি। পরিচিত মানুষ ও প্রতিবেশীদের কাপড় সেলাই এবং ব্লকের ওড়না ও থ্রি-পিস তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু করেন। কাজের মান ও ফিনিশিং ভালো হওয়ায় ধীরে ধীরে তাঁর পরিচিতি ও ক্রেতার সংখ্যা দুই-ই বাড়তে থাকে।

 

ডিজাইনের নান্দনিক বৈচিত্র্য এবং কাপড়ের টেকসই মানের কারণে সুবর্ণার তৈরি পোশাকের চাহিদা দিন দিন ব্যাপকতা পায়। ফলে ঘরোয়া পর্যায় থেকে বেরিয়ে নিজেকে একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পথে এগিয়ে চলেন তিনি।

সুবর্ণা বলেন, “এখন শুধু নিজের জীবিকাই নয়, বরং এই কাজের মাধ্যমে নিজের ভেতরের সৃজনশীলতাকে মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারছি, এটাই আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।”

 

তিনি আরও বলেন, “যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আমাকে শুধু কাজই শেখায়নি, বরং সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচার শক্তি জুগিয়েছে। ২০১৭ সালের সেই প্রশিক্ষণ আজ আমাকে একজন আত্মনির্ভরশীল মানুষে পরিণত করেছে।”

 

ভবিষ্যতে নিজের এই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সুবর্ণা চৌধুরী। সেই সাথে অন্য নারীদেরও এই কাজে নিখরচায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই সফল আত্মকর্মী

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি