1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আলীকদমে গরুর লাম্পি স্কিন(এসএসডি) রোগে আক্রান্তে দুশ্চিন্তায় গরুর মালিকেরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান মাসউদ  নোয়াখালীর চৌমুুহনীতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিলি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় মাগুরার শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার!স্বামী আটক, পরিবারের দাবি হত্যার! অপ্রতীম হত্যার পর  কুমিল্লার ১৮ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী একযোগে অভিযান, আটক ৬২৪ মাগুরার শ্রীপুরে আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত দেশের উন্নতির লক্ষ্যে বেশী বেশী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে- মাগুরায় ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালায় শহীদুল ইসলাম কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪

আলীকদমে গরুর লাম্পি স্কিন(এসএসডি) রোগে আক্রান্তে দুশ্চিন্তায় গরুর মালিকেরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
  • ৩২৮ বার

সুহৃদয় তঞ্চঙ্গ্যা, আলীকদম প্রতিনিধি :
বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলায় সদর ও গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি)। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্য অনুসারে গত এক মাসে সদর এবং বিভিন্ন এলাকায় এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৬৮০টি গরু। এর মধ্যে মারা গেছে ৩টি গরু। এ রোগের প্রতিষেধক ও সঠিক ওষুধ না থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরুর মালিকরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৪টি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে প্রায় ৬৮০টি গরুকে লাম্পি স্কিন এর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত ৩টি গরুর বাচুর এ রোগে মারা গেছে। এই রোগটি মশা-মাছি ও পোকার মাধ্যমে ছড়ায়। এ রোগে আক্রান্ত গরুর শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৫ ডিগ্রিতে বেড়ে দাঁড়ায়। গরু খাওয়া বন্ধ করে দেয়। শরীরে প্রচ- জ্বর আসে। পাশাপাশি গরুর শরীরের বসন্তের মতো গুটি গুটি চাকা দেখা দেয়। পরে সেখান থেকে পুঁজ জমে ফেটে গিয়ে মাংস খসে পড়ে। ফলে দুধ উৎপাদনও কমে যায়।

অনুসন্ধানের ভিত্তিতে খোঁজ নিতে গিয়ে গরুর মালিক ছাবের আহামদ জানান, এই রোগটির সম্পর্কে তিনি তেমন কিছুই জানেন না। বিগত মাস দুয়েক আগে তার গাভীর গর্দানে একটি ফোস্কার মতো উঠে। পরে সেটির চামড়া উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়, খাওয়া বন্ধ করে দেয় গাভিটি। স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ কিনে খাওয়ানোর পর গাভিটি সুস্থ হয়। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে বাচুরের সারা শরীরে ফোস্কার মতো দেখা দেয়। বাচুরটি এক প্রকারে দুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়। পরে উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসে নিয়ে গেলে জানা যায়, এ রোগের নাম লাম্পি স্কিন বা এলএসডি। উপজেলা প্রাণী সম্পদ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে বাচুরটি সুস্থ আছে।

আলীকদম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের চিকিৎসক ডাঃ রূপম চন্দ্র মহন্ত জানান, এটি ভাইরাসজনিত একটি রোগ। মশা-মাছি ও কীটপতঙ্গের মাধ্যমে গরুর শরীরের ছড়িয়ে পড়ে। এ রোগটি শুধু আলীকদমে নয়, সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ রোগের টিকা আমাদের দেশে নেই। তাই আক্রান্ত গরুকে মশা-মাছি থেকে দূরে রাখতে হবে। তবে প্রপার চিকিৎসা নিলে এ রোগ ভালো হয়ে যায় বলে জানান।।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net