1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাড়ল বাস ভাড়া, আজ থেকেই কার্যকর মাগুরার শ্রীপুরে এক পক্ষের খুন, অন্য পক্ষের বাড়িতে তাণ্ডব! আসামির তালিকায় নাম না থাকলেও ভাঙচুর-লুটপাটের শিকার দুই পরিবার সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে- মাগুরায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ইউএনও’র অভিযান, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস আইফোন নয় পাওনা টাকা চাওয়াতে অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
  • ৫৫৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিয়ম মাফিক বৈঠক হয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না।

মীর আমির হোসেন আমু বলেন আজ দুঃখের সাথে বলতে হয় সীমান্তে বাংলাদেশির রক্তে রঞ্জিত।কিম্তু নিয়ম মাফিক বৈঠক হয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাস দেওয়া হয় কিন্তু ভারত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় না। বারবার বাংলাদেশি নাগরিকেরা রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে।

২০১৯ সালে বিএসএফের হাতে মোট ৪৩ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩৭ জনই গুলিতে নিহত হন। বাকি ৬ জন নির্যাতনে মারা যান। আগের বছর ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৪ জন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সংগ্রহ করা তথ্যে দেখা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সীমান্তে ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২১ জনেরই মৃত্যু হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের সৈন্যদের গুলিতে। আর ৪ নির্যাতনে মৃত্যু বরণ করন।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রতিনিয়তই বাংলাদেশি নাগরিকের রক্তে রঞ্জিত হয়। সমঝোতা এবং চুক্তি লঙ্ঘন করে বিএসএফ সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করছে। অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, এমন ঘটনাও প্রায়ই ঘটছে। যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
আমরা সীমান্তে ভারতের এ ধরনের অমানবিক, নিষ্ঠুর আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

একই সঙ্গে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কড়া প্রতিবাদের দাবি জানাচ্ছি।

বহুবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) যৌথ উদ্যোগে সীমান্ত হত্যা জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনার কথা বললেও তা সম্ভব হয়নি। বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত রয়েছে। তা কোথাও দীর্ঘ কোথাও সংক্ষিপ্ত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাড়াও চীন ও পাকিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একই ধরনের সীমান্ত রয়েছে কানাডা ও মেক্সিকোর। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে চীনের দীর্ঘ সীমান্ত বিদ্যমান। কিন্তু এসব সীমান্তে সীমান্তরক্ষী কর্তৃক কোনো মানুষ হত্যা দূরে থাক, একটি গুলি ছোড়ার ঘটনাও শোনা যায় না।

সীমান্তে পৌনঃপুনিক বাংলাদেশি হত্যার দায়ভার ভারত সরকারের। কারণ নির্দেশটা সেখান থেকেই আসছে। দেখামাত্রই গুলি এমন নির্দেশ অবশ্যই আছে, তাই বিএসএফ ন্যূনতম অপেক্ষা না করে এভাবে হত্যা করছে। বিএসএফের মতো একটা রেজিমেন্টেড বাহিনীর দায়িত্বই হলো অক্ষরে অক্ষরে নির্দেশ পালন করা। সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধের ব্যাপারে আগের নির্দেশটি প্রত্যাহার করতে হবে। সেটা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত যত প্রতিশ্রুতিই দেওয়া হোক সীমান্ত হত্যা চলতেই থাকবে। অর্থাৎ সত্যিকারভাবে ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না পাল্টালে সীমান্তে এভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা বন্ধ হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net