1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লালমনিরহাটে গইটা ও গুল তৈরির ধুম পড়েছে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের ওপর হামলার অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেবাচিমে ভর্তি ঈদগাঁওয়ে ভোগান্তিতে ডজনাধিক পরিবার, ঘেরাবেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত উনকলায় প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা  নবীনগরে ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন খাগড়াছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা : বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বারোপ

লালমনিরহাটে গইটা ও গুল তৈরির ধুম পড়েছে

লাভলু শেখ লালমনিরহাট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৪৪ বার

গইটা ও গুল তৈরির ধুম পড়েছে লালমনিরহাট জেলা জুড়ে। রান্নার চুলাও জ্বলে, সেই সাথে বাড়তি টাকা আয় করছেন।

নিম্ন আয়ের গৃহস্থবাড়িতে সকাল-বিকাল গোবরের গইটা ও গুল তৈরি করে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন নারীরা। এতে নিজেদের ঘরের চুলা জ্বালানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ও হচ্ছে।

কেউ কেউ গইটা ও গুল বিক্রি করছেন। এতে স্বাবলম্বীও হচ্ছেন অনেকে।
লালমনিরহাট সদরসহ আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলায় গইটা ও গুল তৈরির দৃশ্য চোখে পড়েছে।

শীতের মিষ্টি রোদে গইটা ও গুলগুলো শুকিয়ে জ্বালানোর উপযোগী করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের নারীরা।

আবার পাটকাটি, বাঁশের ঝিক, গাছের চিকন ডালপালায় বিশেষ কৌশলে গোবর লাগিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গইটা ও গুল।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কোদালখাতা গ্রামের আছমা খাতুন (৩০) বলেন, গরু আছে গোয়ালে। শীতকালে প্রতিদিন সকালে যে গোবর পাই তা দিয়ে গইটা তৈরি করি। বছরের অন্য সময় গোবর মাটিতে বড় গর্ত করে জমিয়ে রাখি। ক্ষেত খামারে গোবরের কদর আছে বেশ।

তিনি জানান, প্রতিটি গোবরের গইটা সর্বনিম্ন ৫টাকা বিক্রি হয়। গইটা ও গুলের সাহায্যে আমরা বছরের বেশিরভাগ সময় চুলা জ্বালাই। এ ছাড়া বাড়তি গইটা ও গুল বিক্রি করি।

স্থানীয় কৃষক হরিপদ রায় হরি জানান, গরুর গোবর চাষিদের কাছে আশীর্বাদ। পর্যাপ্ত গরুর গোবর দিতে পারলে সবজি ক্ষেতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। শীতকালে বেশিরভাগ তাজা গোবরই গইটা ও গুল তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। জ্বালানি হিসেবে গইটা ও গুলের ছাই আমরা ক্ষেতের পোকামাকড় তাড়াতে ব্যবহার করছি। গইটা ও গুল তৈরি এখন লালমনিরহাটের পল্লী অন্চল গুলোতে জনপ্রিয় হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net