1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ট্রাস্টের সহায়তায় স্বাবলম্বী মোহাম্মদ রফিকুল আলম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় জুলাই গণ অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  খুটাখালীতে সবুজ পাহাড় নুরানী মাদরাসায় হিফজের সবক প্রদান অনুষ্ঠান ফাহিম সব্যসাচী’র অন্তরে অচিন পাখি’ বই নিয়ে কুমিল্লায় পাঠ প্রতিক্রিয়া  লাকসামে স্বামীর পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভোটের আগের রাতেই স্থগিত সাতকানিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন সরকারি রাস্তার জায়গা দখলের অভিযোগ, পাল্টা দাবি জমির মালিকের চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৩ আসামী গ্রেফতার। ঈদগাঁওয়ে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক ইন্তেকাল করেছেন

জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ট্রাস্টের সহায়তায় স্বাবলম্বী মোহাম্মদ রফিকুল আলম

শাহাদাত হোসেন,( রাউজান চট্টগ্রাম)

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
  • ৪৮২ বার

মোহাম্মদ রফিকুল আলম দীর্ঘ দশ বছর আরব আমিরাত দুবাইতে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে দেশে এসে চাকরি করে সংসারের খরচ চালাতে তাঁর অনেক কষ্ট হতো। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের লেখাপড়ার খরচ, সংসারের যাবতীয় খরচ জোগাতে অনেকটা হিমশিম পড়েন। রাউজান উপজেলার নোয়াজিষপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সেই রফিকুল আলম একদিন শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প তহবিলে মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি নোয়াজিষপুর শাখার মাধ্যমে একটি সিএনজি চালিত ট্যাক্সি জন্য আবেদন করেন। আবেদন করার পর শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট থেকে তাকে একটি সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ক্রয় করে দেয়। ট্যাক্সি পাওয়ার পর সেই নিজে চালিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এখন স্বাচ্ছন্দে জীবন-যাপন করছেন। মোহাম্মদ রফিকুল আলমের কাছে তাঁর দরিদ্রতার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ দশ বছর বিদেশ ছিলাম। সেখান থেকে দেশে এসে বেকারত্ব হয়ে পড়ি। নাই কোনো কাজ কাম, সংসারের খরচ চালাতে অনেকটা কষ্ট হতো। পরে একটি বেকারিতে সেলসম্যান হিসাবে চাকরি করে যা টাকা আয় হতো, তা দিয়ে কিছুটা সংসারের চালাতাম। কিন্তু ছেলে সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালাতে মাসের শেষে কর্জ করতে হতো। একদিন আমি মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি নোয়াজিষপুর শাখার মাধ্যমে জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট বরাবর একটি আবেদন করলে আমাকে একটি সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ক্রয় করে দেন। গাড়িটি পাওয়ার পরে নিজে চালিয়ে যা টাকা আয় রোজগার হয়, তার অর্ধেক টাকা জমা রেখে বাকী টাকা দিয়ে সংসারের খরচ চালায়। এখন আমি অনেকটা স্বাচ্ছন্দে জীবন-যাপন করছি। বর্তমানে মেঝো ছেলে হাফেজ হয়ে ছিপাতলী মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণীতে পড়ে। বড় ছেলে হাতের কাজ শিখতেছে। আর দুই মেয়ের মধ্যে একজন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করছে, আরেক জন শিশু শ্রেণীতে পড়ে। এখন আমার সংসারে নেই অভাব। মাওলানা বোরহান উদ্দীন বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, গ্রাম-গঞ্জে শাহানশাহ হযরত জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (ক.) ট্রাস্ট মানবতার কল্যাণে যে সেবা করে যাচ্ছে তা বিশ্বের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net