1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ নেতার হাতে ব্যবসায়ীকে তুলে দেওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল সেবায় নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে ক্রিয়েটিভ আইটি কর্ণার সিইও তরুণ উদ্যোক্তা তানবীন ফারুক মানিকছড়িতে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও পুনঃস্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্ত শিক্ষক আটক ‘শেষ দেখে ছাড়ব’, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা বাঁধনের চবিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফের মৃত্যু নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী  আনোয়ারা দুই দোকানীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা 

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ নেতার হাতে ব্যবসায়ীকে তুলে দেওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৫৬ বার

গাইবান্ধায় অপহৃত ব্যবসায়ী হাসান আলীকে (৪৫) উদ্ধারের পর আওয়ামী লীগ নেতার হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনায় আজ মঙ্গলবার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে। কর্মকর্তারা হচ্ছেন গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবুর রহমান এবং উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন। এ নিয়ে গঠিত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর আজ বিকেলে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এই আদেশ দেন।

এ ছাড়া এই ঘটনায় কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না মর্মে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মো. মাহফুজার রহমানকে কারণ দর্শাও নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টায় পুলিশ সুপার বলেন, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গত ১০ এপ্রিলের ঘটনায় ওই দুই কর্মকর্তা দায়িত্বে অবহেলা করেছেন বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই ওই দুই কর্মকর্তাকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এদিকে নিহত হাসান আলীকে দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানার হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে ঘটনার দিন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। কমিটির কর্মকর্তারা হচ্ছেন, আহবায়ক গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রাহাত গাওহারী, সদস্য গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) আবু খায়ের ও পুলিশ পরিদর্শক আবদুল লতিফ মিয়া। কমিটিকে আগামি সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কমিটি আজ মঙ্গলবার এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

গাইবান্ধা জেলা শহরের স্টেশন রোডে আফজাল সুজ নামের নিহত হাসান আলীর জুতার দোকান ছিল। গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর স¤পাদক মাসুদ রানা (৪২) একজন দাদন ব্যবসায়ী। ব্যবসা চলাকালে মাসুদ রানার কাছে দেড় লাখ টাকা দাদন নেন হাসান আলী। এই টাকা সুদাসলে বর্তমানে ১৯ লাখে দাড়িয়েছে বলে দাবি করেন মাসুদ রানা। সম্প্রতি মাসুদ রানা সুদের টাকার জন্য হাসান আলীকে চাপ দেন। এক পর্যায়ে গত ৫ মার্চ সকালে লালমনিরহাটের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে হাসানকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে আসেন মাসুদ রানা। তিনি তাকে গাইবান্ধা শহরের খানকা শরীফ সংলগ্ন নারায়নপুর এলাকায় নিজ বাসায় একমাস আটকে রাখেন।

এরপর টাকা নিয়ে হাসানের সঙ্গে মাসুদ রানার তর্কবিতর্ক হয়। টাকার জন্য তিনি হাসানকে মানষিক ও শারীরক নির্যাতন এবং নানা ধরণের হুমকি দেন। ওইদিন সন্ধ্যায় (৫ মার্চ) নিহতের স্ত্রী বিথী বেগম স্বামীকে উদ্ধারের জন্য গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে মাসুদ রানার বাড়ি থেকে হাসানকে সদর থানায় নিয়ে আসেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন। একইদিন রাতে পুলিশ হাসানকে মাসুদ রানার জিম্মায় দেয়। এরপর দলীয় ক্ষমতার দাপটে মাসুদ রানা একমাস আটকিয়ে রেখে হাসানকে শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। ১০ এপ্রিল সকালে মাসুদ রানার বাড়ি থেকে হাসান আলীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করে। এনিয়ে নিহতের স্ত্রী বিথী বেগম সদর থানায় মাসুদ রানাসহ তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। অপর দুইজন হচ্ছেন শহরের স্টেশন রোডের জুতা ব্যবসায়ী রুমেল হক ও খলিলুর রহমান ওরফে বাবু মিয়া।

নিহত হাসান আলীর স্ত্রী বিথী বেগম অভিযোগ করেন, শালিশ বৈঠকে আমার কাছে পুরো টাকা ফেরত ও স্টাম্পে সই চান মাসুদ রানা। এতে আমি অস্বীকৃতি জানালে মিমাংসা হয়না। তখন পুলিশ আমার স্বামীকে মাসুদ রানার হাতে তুলে দেন। তারপর থেকে আমার স্বামী মাসুদ রানার বাসায় ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, টাকা নিয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে মাসুদ রানার তর্কবিতর্ক হয়। টাকার জন্য তিনি আমার স্বামীকে মানষিক ও শারীরক নির্যাতন এবং নানা ধরণের হুমকি দেন। এসব নির্যাতনের কথা মোবাইল ফোনে জানতে পেরে আমি থানায় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমার স্বামীকে উদ্ধার করে দেয়নি। আমার কাছেও স্বামীকে ফেরত দেয়নি। উল্টো তাকে মাসুদ রানার কাছে দেওয়া হয়। নির্যাতনের কারণে আমার স্বামী মারা গেছে। তারপর আমার স্বামীকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net