1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
৫৮০ বছর পর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
হবিগঞ্জে নিখোঁজের দুদিন পর সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়তে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লা সিটি স্কুলের কৃতি ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদনের ফল প্রকাশ আজ প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ঢাকার ইসলামবাগ থেকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার যুবক নিখোঁজ  চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বিএনপির জন্য ১৭ বছর রাজপথে, এখন দিনমজুর জজ মিয়ার চাওয়া শুধু একটি ঘর সাতকানিয়ায় শাহজাহান চৌধুরীর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

৫৮০ বছর পর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার

এম এ জব্বার।
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯০৯ বার

আগামীকাল শুক্রবারের চন্দ্রকে (ব্লাড মুন ) হিসেবে দেখতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে খন্ডিত গ্রাসে। এতটা সময় ধরে দেখা যায়নি গত ছয় শতাব্দীতে এবং দেখা যাবে না চলতি শতাব্দীতে।
সময়ের নিরিখে বিরলতম চন্দ্রগ্রহণ হবে শুক্রবার। পূর্ণিমার দিনে খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। দেখা যাবে টানা তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। চাঁদের রং হবে প্রায় রক্তের মতো লাল। তাই তার নাম ‘ব্লাড মুন’ বা ‘বিভার মুন’।
এই শতাব্দীতে আর এতটা সময় ধরে খণ্ডগ্রাসের ব্লাড মুন দেখা সম্ভব হবে না।

এটাই এ বছরের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ চন্দ্রগ্রহণ। প্রথমটি হয়েছিল গত ২৬ মে। এ বছরে সূর্যগ্রহণও হওয়ার কথা দু’টি। একটি হয়ে গিয়েছে গত জানুয়ারিতে। দ্বিতীয়টি হবে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
আমেরিকার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান “নাসা ” জানিয়েছে ৫৮০ বছরের মধ্যে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি দেখা যাবে চিন, জাপান, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া,তাইওয়ান,হংকং, মঙ্গোলিয়া,ম্যাকাও-সহ গোটা পূর্ব এশিয়ায়। অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ইউরোপে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায়। প্রশান্ত মহাসাগর ও লাগোয়া দেশগুলিতেও। খণ্ডগ্রাস চূডা়ন্ত মুহূর্তে পৌঁছবে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ২টা ০২ মিনিটে। এই শতাব্দীতে এতটা বা এর চেয়ে বেশি সময় ধরে খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আর হবে না। তবে বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

পূর্ণিমার চাঁদের আকারের চেয়ে কিছুটা ছোট হবে শুক্রবারের চাঁদ। পৃথিবীর ছায়ায় সেই চাঁদের ৯৭.৪ শতাংশই ঢাকা পড়ে যাবে। ফলে আক্ষরিক অর্থে খণ্ডগ্রাস হলেও চন্দ্রগ্রহণ অনেকটা যেন পূর্ণগ্রাসই।
এবারের পূর্ণিমার চাঁদের রং অবশ্য পুরোপুরি লাল হবে না। পৃথিবীর ছায়া ঢাকতে পারবে না বলে চাঁদের মাত্র ৩ শতাংশ আলোকিত হবে সূর্যালোকে।
প্রদক্ষিণের পথে পূর্ণিমার চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার মধ্যে পুরোপুরি ঢুকে গেলেই হয় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

প্রতি মাসেই অমাবস্যার চাঁদ পৃথিবী আর সূর্যের মধ্যে থাকে। ফলে চাঁদের এক পিঠে যখন সূর্যের আলো পড়ে তখন পৃথিবীর দিকে থাকা চাঁদের অন্য পিঠে সেই আলো পৌঁছয় না। তাই পৃথিবী থেকে দেখা যায় না অমাবস্যার চাঁদ। প্রদক্ষিণ করে সেই চাঁদ পৃথিবীর অন্য দিকে গেলে তা পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে ওঠে। পৃথিবীর সেই দিকে তখন সূর্যের আলো পৌঁছয় না।
চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারলে হয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। না পারলে হয় আংশিক সূর্যগ্রহণ বা সূর্যের বলয়গ্রাস। কিন্তু চাঁদ তার কক্ষপথে একটু ঝুঁকে থাকে বলে অমাবস্যার চাঁদ সব সময়েই সূর্যের মুখ পুরোপুরি বা আংশিক ভাবে ঢেকে দিতে পারে না। তাই অমাবস্যায় সাধারণত আমরা চাঁদ দেখতে পাই না।

তথ্যসূত্র ইন্টারনেট।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net