1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে অজ্ঞান ডাক্তারের অপারেশনে জরায়ু হারালেন নারী - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক চন্দনাইশ শঙ্খ নদীতে স্লাইজ পড়া বন্ধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ নোয়াখালীর সেনবাগে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঢাকার মীরপুর “ল” কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু

নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে অজ্ঞান ডাক্তারের অপারেশনে জরায়ু হারালেন নারী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৩১ বার

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি : কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে অজ্ঞান করার চিকিৎসক ওমর ফারুকের ভুল অপারেশনে পিংকি আক্তার নামে এক প্রসূতি মৃত্যু সন্ধিক্ষণে রয়েছে। ওই প্রসূতি পৌর সদরের দৈয়ারা দক্ষিণপাড়া গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে। অজ্ঞানের চিকিৎসক ফারুককে দিয়ে একাধিকবার সিভিল সার্জনের নিষেধাজ্ঞা থাকা শর্তেও তাকে দিয়ে অপারশেন করান ওই উপজেলার প্রাইভেট ক্লিনিক গুলো। ডাক্তার ওমর ফারুক নিজেকে মা, শিশু, মেডিসিন, গাইনি বিশেষজ্ঞ পরিচয় দেয় এবং সার্জন না হয়েও অপারেশন করেন তিনি। প্রশ্ন উঠেছে কেন অজ্ঞানের চিকিৎসক দিয়ে প্রসূতিদের অপারেশন করানো হচ্ছে। আর এসবের প্রশ্রয় দিচ্ছেন মালিক কামরুল হাসান।
পরিবার ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, দৈয়ারা গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রী পিংকি আক্তারের প্রসব ব্যাথা অনুভব করলে তাকে পরিবারের লোকজন চলতি মাসের ১৩ তারিখে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পিংকির আল্টাসনোগ্রাম করে চিকিৎসক জানায় রোগীর ডেলিভারি নরমাল হবে। পরে পিংকিকে অপারেশন রুমে নিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টা রেখে দেন। এরমধ্যে একটি ছেলে নবজাতকের জম্ম হয়। কিন্তু অপারশেনের প্রায় ৪ ঘন্টা পর্যন্ত রোগীর সাথে স্বজনদের দেখা করতে দেয়া হয়নি। ঐদিন গভীর রাত থেকে প্রসূতির রক্তপাত শুরু হলে স্বজনরা ২ ব্যাগ রক্ত ব্যবস্থা করে দেয়। এরপর ঐ হাসপাতালে বিভিন্ন চিকিৎসার অজুহাতে প্রায় এক সাপ্তাহ ভর্তি রাখেন। কিন্তু তারপরও প্রসূতির রক্তপাত বন্ধ না হয়ায় তড়িগড়ি করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ চলতি মাসের ১৮ অক্টোবর রোগীকে ছাড়পত্র দেয়ার কথা বলে হাসপাতালের চিকিৎসা ফি আদায় করে পিংকিকে কুমিল্লা মা-মনি হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রোগীর স্বজনরা ঐ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়।
এ বিষয়ে প্রসূতির শ্বশুর মনির হোসেন বলেন, জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত আমার ছেলের স্ত্রী পিংকি আক্তার ঠিকভাবে কথা বলতে পারে না। হাসপাতালের বেডে শুয়ে-শুয়ে কান্না করছেন। তাকে অপরাশেনরে সময় অনেক কষ্ট দেয়া হয়েছে। ঠিকভাবে সেলাই করতে পারেনি। আমি এঘটানার সর্বোচ্ছ বিচার দাবী করছি। অভিযুক্ত চিকিৎসক ওমর ফারুক মুঠো ফোনে বলেন, পিংকির অপারেশন আমি করেছি এটার আগে বাচ্চা ছিল, আমি পুনঃরায় অপারেশন করার পর সমস্যা সৃষ্টি হলে ৭ দিন পর কুমিল্লায় রেপার করি।
নাঙ্গলকোটের মেডিকেল সিন্ডিকেট এর মূল হোতা হচ্ছেন আজাদুজ্জামান। তার কোনো কাজে বাধা হলে নারী লেলিয়ে দিয়ে মালিকদেরকেও হেনস্থা করেন এই মেডিকাল সম্রাট আজাদ।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: দেব দাস দেব বলেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সে অজ্ঞান ডাক্তার হয়ে অপরাশেন করতে পারবে না। কেন এ কাজ করেছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন মজিবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জেনে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net