1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
এসআই জাহিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন দুই সাংবাদিক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভারতের হাসপাতালে আগুন, প্রাণ গেল ৩ নবজাতকের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অপেক্ষায় বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম ইমরান খানের চিকিৎসার দাবিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে গাভাস্কার-কপিলদের চিঠি নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু  নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ফার্মেসি মালিক আটক  গুম-খুন-বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ব্যক্তিদের জন্য অধিদপ্তর হচ্ছে চান্দগাঁও মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন এমপি এরশাদ উল্লাহ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে দরগাহ মাজার জাতীয় সমন্বয় কমিটির অভিনন্দন! আগামী দিনে সমাজের নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের দিতে হবে: এশরাদ উল্লাহ নবীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের কোচিং ও পরীক্ষার ফি আদায় 

এসআই জাহিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন দুই সাংবাদিক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৭৫ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সন্তানকে থানায় নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিক সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তারা হলেন তৎকালীন বেসরকারি টেলিভিশন একুশে টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার রুবিনা ইয়াসমিন ও মোহনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার নয়ন মুরাদ।
বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাংবাদিক নয়ন মুরাদের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হলেও রুবিনার জবানবন্দি শেষ হয়নি। আদালত রুবিনার অবশিষ্ট জবানবন্দি ও অন্য আসামিদের সাক্ষ্যর জন্য আগামী ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে ১৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিলেন।
সাক্ষ্যতে সাংবাদিক রুবিনা বলেন, সূত্রের মাধ্যমে খবর পাই, মিরপুর পল্লবী থানার এসআই জাহিদ গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে জনি নামের এক যুবককে উঠিয়ে এনে থানায় নির্যাতন চালান। এরপর তিনি তাকে মিরপুর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে আমি মিরপুর আধুনিক হাসপাতালে যাই। যেখান থেকে সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করি। এরপর একুশের চোখে তা প্রচার করি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তখন জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন আবার এসে আগের মতো আচরণ করেন। তখন জনি ও তার ভাই তাকে (সুমন) চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে।
থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন পল্লবী থানার তৎকালীন এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজরুল, সোর্স সুমন ও রাসেল।

২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদ, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net