1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লায় উদ্ধার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম  ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্বনবির আদর্শ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ জনের লাশ পৌঁছেছে আত্রাইয়ে সোনারগাঁয়ে “বাপা”র কমিটি আহ্বায়ক ড. নূর আলম, সদস্য সচিব মশিউর রহমান  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে একজনের মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক; ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোম্পানীগঞ্জে কার্যক্রম শূন্য মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা সংশপ্তক ও বারসিক এর উদ্যোগে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লায় উদ্ধার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৮০ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক : অপহরণের ৫ দিন পর মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের আবু সালেহ জুয়েল নামের এব যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জুয়েল মিরকাদিম পৌরসভার উত্তর কাগজীপাড়া এলাকার সালাউদ্দিন আহম্মেদের পুত্র।

গত ১১ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের পাগলা জনতা ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে বের হয়ে ব্যাটারি চালিত অটো গাড়িতে উঠলে অপহরণের শিকার হয় জুয়েল। পরে ১৭ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার হক সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বর্তমানে জুয়েল মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে জুয়েলের বক্তব্য, “আমি ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হয়ে তারপর রাস্তায় অটোতে উঠলাম, এরপর আর কিছুই মনে নেই। চোঁখ খুলে দেখি একটা অন্ধকার রুমে আমাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। আমার সাথে থাকা টাকা নেই।”

জুয়েল অারও বলেন, “পাচঁদিন আমাকে আটকে রাখে মারধর করে কিছু লোকজন। তাদের মুখ কাপর দিয়ে বাঁধা ছিলো। পরের দিন আমাকে চোঁখ বেঁধে একটি গাড়িতে উঠানো হয়। তখন আমি মনে করেছি আমাকে ওরা মেরেই ফেলবে। আনুমাণিক কয়েক ঘণ্টা পরে আমাকে গাড়ি থেকে নামানো হয়। এসময় আমার চোঁখ খুলে দেওয়া হলে একটি নির্জন রাস্তায় দূরে একটি বাতি জ্বলছিল দেখতে পাই। হঠাৎ অপহরণকারীদের একজন ছুরি বের করে আমার পেটে মারতে নিলে আমি বাম হাত দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করলে ছুরির আঘাত আমার বাম হাতে লাগে। আমি জীবন বাঁচাতে লাইটের দিকে দৌঁড় দিলে ওরা তখন গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যায়। পরে হক ফিলিং ষ্টেশনে পৌঁছালে একজন লোকের মোবাইল দিয়ে প্রথমে মা, পরে বৌকে কল করি কিন্তু কেউ ফোন ধরেনি। পরে ওই লোকের মোবাইল দিয়ে চাচাতো ভাইয়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে কল করি। ভাইকে আমার ঠিকানা দেই। বেশ কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

এর অাগে জুয়েলের সন্ধান না পেয়ে ফতুলা থানায় স্ত্রী হাবীবা ও কর্মরত প্রতিষ্ঠান সাজু এন্টারপ্রাইজ থেকে পৃথক দু’টি সাধারণ ডায়েরি করেছিলো বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে জুয়েলের চাচা ডিউ অামাদের প্রতিবেদককে জানান, অপহরণকারীরা জুয়েলের টাকাই ছিনতাই করেনি। জুয়েলকে মেরে ফেলতে উদ্ধত হয়েছিল। অাল্লাহ্ সহায় ছিলেন বলেই জুয়েল অল্পের জন্য জানে বেঁচে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net