1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বিদেশ থেকে পাচার করা সোনা বাংলাদেশে হয়ে কলকাতার বাজারে! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত  মাগুরার শ্রীপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানায় আগুন কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহত অন্তত ৪ সাতকানিয়ায় IBWF-এর উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বিদেশ থেকে পাচার করা সোনা বাংলাদেশে হয়ে কলকাতার বাজারে!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৫৭৬ বার

সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার সোনার বার চোরাইপথে চলে আসে বাংলাদেশ বা ভুটানে। সেখান থেকে ঢোকে ভারতে। কলকাতায় একটি শক্তিশালী চক্র রয়েছে যারা ওই বেআইনি সোনা কিনে কলকাতার বাজারে সরবরাহ করে। বুধবার বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বনগাঁ হয়ে আসা সোনার বার উদ্ধার করে এমন তথ্য জানতে পেরেছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

ভারতের কেন্দ্রীয় শুল্ক দপ্তর কাস্টমসের (পিএনআই) শাখার গোয়েন্দারা বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এক গ্রামের বাসিন্দাকে আটক করে। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৬টি সোনার বার। গড়ে এক একটির ওজন প্রায় ১০০ গ্রাম।

এক কাস্টমস কর্মকর্তা বলেন, বাজেয়াপ্ত সোনার বারে দেখি ওপরে খোদাই করা মার্কা নেই। সাধারণত যেখানে ওই বার তৈরি হয় তার কোনো চিহ্ন বা নাম খোদাই করা থাকে বারের ওপরে। ধৃতকে জেরা করে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে সোনা এ দেশে ঢোকার পরেই পাচারকারীরা বনগাঁয় ওই মার্কা তুলে দিচ্ছে, যাতে সহজে ধরা না যায় যে ওই সোনা বিদেশ থেকে পাচার করা বেআইনি সোনা।

কাস্টমসের গোয়েন্দাদের আর একটি দল ধৃতকে জেরা করে বনগাঁ থেকে পাকড়াও করে বরুণ মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তিকে। গোয়েন্দাদের দাবি, বাংলাদেশ থেকে সোনা আসে বরুণের কাছে। এরপর বরুণ মাস মাইনে করা সোনাবাহক বা কেরিয়ার দিয়ে সেই সোনা পাঠায় কলকাতায় একটি দলের কাছে। কলকাতার দলটি এর পর বিভিন্ন গয়না প্রস্তুতকারীকে ওই সোনা বিক্রি করে। গোয়েন্দাদের হিসেব মতো, ওই বেআইনি সোনা কিনলে আইনি পথে কেনা সোনার থেকে প্রতি কিলোগ্রামে ৫ লাখ টাকা কম পান গয়না প্রস্তুতকারীরা। ফলে অনেকেই ওই বেআইনি সোনা কিনতে ঝোঁকেন।

বরুণকে আটক করেই জানা যায়, বনগাঁয় কী ভাবে সোনা পাচারকারীরা সোনার মার্কা তুলে দিচ্ছে। জানা যায়, সোনার দামও তারা ডলারে নিচ্ছে। নিউ মার্কেট এলাকার কয়েক জন বিদেশি মুদ্রার ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ওই ডলার পৌঁছে যায় সোনা বিক্রেতার কাছে। বাজেয়াপ্ত ৬টি সোনার বারের দাম মেটানোর জন্য রাখা এমন ৪০ হাজার মার্কিন ডলার গোয়েন্দারা বুধবার উদ্ধার করেন সদর স্ট্রিটের এক বিদেশি মুদ্রা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে।

কাস্টমসের এক কর্মকর্তা বলেন, মূলত সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি টাঁকশালে তৈরি সোনার বার চোরাপথে চলে আসে বাংলাদেশ বা ভুটানে। সেখান থেকে ঢোকে ভারতে। তিনি ইঙ্গিত দেন, কলকাতায় একটি শক্তিশালী চক্র রয়েছে যারা ওই বেআইনি সোনা কিনে কলকাতার বাজারে সরবরাহ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net