1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ইভটিজিংয়ের শিকার লাকসাম বিএনএফ হাইস্কুলের ছাত্রী সাথীর আর্তনাদ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ১০ হাজার টাকা জরিমানা  আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে সিএনজি স্টেশনে চাঁদাবাজি অভিযোগে মিছিল হাটহাজারী মাদরাসায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নৃত্য, গান, কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইভটিজিংয়ের শিকার লাকসাম বিএনএফ হাইস্কুলের ছাত্রী সাথীর আর্তনাদ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৩৬৮ বার

লাকসাম প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলার লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও বিএনএফ হাইস্কুলের ছাত্রী সাথী অাক্তার ইভটিজিংয়ের ভয়ে পড়াশোনা বন্ধ করে পরিত্রাণ পায়নি।বাতাখালী পশ্চিম পাড়ার ফলবিক্রেতা দুলাল মিয়ার মেয়ে সাথী আক্তারকে গত ৩১ জানুয়ারী রাত ৯ টায় ৪ বন্ধুকে নিয়ে অপহরণের মিশন শুরু করে পশ্চিমগাঁও বাগবাড়ীর অটোড্রাইভার রাকিব। সাথী আক্তারের দরিদ্রতার সুযোগে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রায় তাকে উত্যাক্ত করতো। বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবককে জানিয়ে কোন সুফল না পেয়ে দশম শ্রেণীতে আর ভর্তি হয়নি সাথী।
ঘটনার দিন রাতে বাগবাড়ীর ৩ বন্ধু মেহেদী, ফরহাদ, রাশেদকে নিয়ে সাথী আক্তারকে বাতাখালী নিজ বাড়ী থেকে অপহরণের পদক্ষেপ নেয় রাকিব। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সাথীকে ছুরিকাঘাত করা হয়। সাথীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। ঘটনাস্থল থেকে রাশেদকে আটক করে জনতা। ৯৯৯ থেকে ফোন দিলে লাকসাম থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়। চিকিৎসার জন্য লাকসাম সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয় সাথী আক্তারকে। রাশেদকে নেয়া হয় থানা হাজতে। শুরু হয় তদবির, সুপারিশ। গ্রেফতারকৃত রাশেদ নাকি নিরপরাধ, তাকে মুক্ত করা দরকার। এদিকে হাসপাতাল ও বাড়িতে কোথায়ও নিরাপদ নয় মেয়েটির পরিবার। অপহরণ করা হতে পারে এই আশংকায় পুলিশ মেয়েটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে রেখে ঘটনার পরেরদিন জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠায়।
দুংখজনক হলেও সত্য ঐতিহ্যবাহী বিএনএফ হাইস্কুলের কোন শিক্ষক তাদের এই ছাত্রীর খোঁজ-খবর নিতে এগিয়ে আসেনি। ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও তাদের সহপাঠীর জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ ও ঘটনার নিন্দা প্রতিবাদ জানাতে দেখা জায়নি।
সাথী স্কুলে যেতে চায়, নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি পেলে দশম শ্রেণীতে ভর্তি হবে। সাথীর মত হয়তো নাম না জানা আরো অনেক শিক্ষার্থী একই পরিস্থিতির শিকার।
রাস্তাঘাটে বাহারি স্টাইলে চুল কেটে, হোন্ডার মহড়া দিয়ে উঠতি বয়সী বখাটে ইভটিজারদের অভিভাবকদের উচিত নিজেদের সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ ও দায়-দায়িত্ব গ্রহণ।
বাতাখালীর এই নির্যাতিত সাথী আক্তারকে স্কুলে যাতায়াতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়টি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্কুল কর্তৃপক্ষ ও আমরা গণমাধ্যমের কর্মীরা কি দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণ করতে পারিনা?

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net