1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ইসলামী বিশ্ব: ইসলামিক স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন রোম মসজিদ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নবীগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের মশাল মিছিল গ্রেফতার ৫ ও ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের  নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ ধরে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি ষ নোয়াখালীর কবিরহাটে মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা  মাগুরায় প্রকাশ্য দিবালোকে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম! মাগুরায় দিনভর বিভিন্ন সভা ও এল এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হাজারো সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে ‘সিগনেচার বাংলা’ নাঙ্গলকোট গ্র্যাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠান – ২০২৬ নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদের অভিযোগ সিডিএর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিপূরণ ও তদন্তের দাবি দেবিদ্বারে ভুয়া সংবাদপত্রের কাটিং ছড়িয়ে সাংবাদিক জনি ফারুককে হেয় করার চেষ্টা ৬ জুনের আগে ইউপি ভোট শেষ করতে সম্মত সবাই: ইসি সানাউল্লাহ

ইসলামী বিশ্ব: ইসলামিক স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন রোম মসজিদ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০
  • ৪০৯ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদারঃ খ্রিস্টান বিশ্বের কাছে ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইটালীর রোমেই রয়েছে ইসলামিক স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন, যেটির নাম রোম মসজিদ। বিশাল এই মসজিদটিকে ডাকা হয় ‘মস্কো দি রোমা’ নামে। বিশাল এই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৮৪ সালে।নির্মাণকাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ১৯৯৫ সালের ১ জুলাই। তিন লাখ বিশ হাজার বর্গফুটের এই মসজিদটিতে একসঙ্গে ১২ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন। আফগানিস্তানের রাজপুত্র মুহাম্মদ হাসান ও তার স্ত্রী রাজিয়া বেগমের উদ্যোগের পাশাপাশি সৌদি আরবের যুবরাজ ফয়সাল এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ সহায়তা করেন। ইসলামিক স্থাপত্য হিসেবে বেশ আলোচিত হলেও এর স্থপতি দুজনের কেউই মুসলমান নন। ইরাকি স্থপতি সামি মুসাভি ও ইতালীয় স্থপতি পাওলো পর্তোগেসি মসজিদ কমপ্লেক্সের নকশা তৈরি করেন। তবে নকশার জন্য ৪০ জন স্থপতি লে-আউট জমা দেন। তাদের মধ্যে উল্লিখিত দুইজনের লে-আউট গ্রহণ করা হয়।
বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও বৃহত্তম মসজিদ এ রোম মসজিদ। রোম নগরীর উত্তরাঞ্চলের অ্যাকুয়া অ্যাসেতোসা নামক এলাকায় সারিবদ্ধ বৃক্ষের সবুজ বেষ্টনীতে অবস্থিত এ মসজিদ কমপ্লেক্সে প্রশস্ত নামাজের জায়গা ছাড়াও রয়েছে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, মিলনায়তন, পাঠদান ক, উন্মুক্ত মাঠ, অজুখানা, শৌচাগার, লাশ গোসলকরণ ও নামাজে জানাজার ব্যবস্থা।
রোমান সিটি কাউন্সিল ১৯৭৪ সালে কমপ্লেক্সের জন্য ভূমি দান করে। উদ্বোধন করেন ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট স্যান্ড্রো পার্টিনি।

মসজিদ স্থাপত্যের অন্যতম ১২৮ ফুট উঁচু মিনারটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। অবশ্য সেন্ট পিটার্স গির্জার গম্বুজটি এর চেয়ে দুই ফুট বেশি উঁচু।
মসজিদটির নকশায় ইসলামি ঐতিহ্য ও আধুনিক ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয় সাধনের একটি আন্তরিক প্রয়াস লক্ষণীয়। মসজিদটির অভ্যন্তরীণ স্তম্ভগুলো উত্তর আফ্রিকার পাম বৃক্ষের আদলে তৈরি। মসজিদের ভেতরে-বাইরে এমনভাবে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে যে, রাতের বেলা মনে হয়, যেন মসজিদের চার পাশে প্রস্রবণের ফল্গুধারা প্রবাহিত।

লেখকঃ বিশেষ প্রতিবেদকঃ শ্যামল বাংলা | কাউন্সিলর ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ( বিএফইউজে-) ও সদস্য ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজে।

১৫ মার্চ অগ্নিঝড়া মাস ২০২০
রোববার | ১ চৈত্র ১৪২৬ | ১৯ রজব ১৪৪১ |

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net