1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনার প্রভাবে স্থবির শরণখোলা শ্রমজীবী পরিবারে দুর্দশা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে ২টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি নোয়াখালীতে গোলাগুলির ঘটনা: মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ; তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল চন্দনাইশে বিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

করোনার প্রভাবে স্থবির শরণখোলা শ্রমজীবী পরিবারে দুর্দশা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০
  • ৩৬৪ বার

নইন আবু নাঈম বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ
সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের শরণখোলাও করোনার প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। জরুরী প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্রের দোকান ছাড়া ‘লকডাউন’ করা হয়েছে গোটা উপজেলার সবকিছু। সবখানেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। খুব বেশি দরকারি না হলে ঘর থেকে বের হচ্ছে না বিত্তবানরা। কিন্তু শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ পেটের দায়ে বাইরে বের হলেও কাজ পাচ্ছেনা তারা। ফলে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে দৈন্যদশা।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গত বুধবার থেকে সকল হাটবাজারগুলোতে ওষুধ, মুদি ও কাচামাল বাদে সমস্ত দোকানপাঠ বন্ধ ঘোষনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। যার কারণে লোকসমাগম একেবারেই কমে গেছে। ঢাকা, খুলনা, বাগেরহাট থেকে এসব দোকানে স্থল ও নৌ-পথের মাধ্যমে মালামাল পরিবহনের ট্রান্সপোর্টগুলো বন্ধ রয়েছে। এসব ঘাটে মালামাল ওঠানামার কাঝে নিয়োজিত শতাধিক শ্রমিক প্রায় বেকার হয়ে পড়েছে। তাছাড়া বাজারঘাটে লোকজন কম ওঠায় উপজেলার তিন সহস্রাধিক অটোভ্যান ও ইজিবাইক চালকও পড়েছে বিপাকে।
খুলনা ট্রান্সপোর্টের রায়েন্দা বাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের শহীদ নিমার ঘাটে শ্রমিক সলেমান শিকদার (৩৮), শহিদুল হাওলাদার (৪০), হামিদুল বয়াতি (৪২), হালিম ফরাজী (৩৫) জানান, গত দুদিন ধরে কাজ নেই। তাদের এই ঘাটে আগে খুলনা থেকে ৭-৮টি ট্রাক মালামাল নিয়ে আসতো। তাতে একেকজন শ্রমিক ৬০০-৭০০টাকা ভাগে পেত। বৃহস্পতিবার মাত্র একটি ট্রাক এসেছে। তাদের প্রত্যেকের সংসারে ছয় থেকে সাত জন লোক। এ অবস্থা চলতে থাকলে তাদের না খেয়ে মরতে হবে বলে আক্ষেপ করেন তারা।
অপরদিকে, রায়েন্দা ইউনিয়নের জিলবুািনয়া গ্রামের অটোভ্যান চালক মো. মিজান মোল্লা (১৮), সোহাগ ফকির (৩৫) ও কদমতলা গ্রামের সোবাহান হাওলাদার (৪৮) জানান, আগে প্রতিদিনি ৪০০ থেকে ৫০০টাকা আয় হতো। করোনার প্রভাবে এখন একশ-দেড়শ টাকাও হচ্ছেনা। দানসাগর ইউনিয়নের পহরানবাড়ি এলাকার ইজিবাইক চালক মিজানুর রহমান (৪০) জানান, অন্যান্য দিন ৬০০ থেকে ৭০০টাকা আয় হতো। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র দেড়শ টাকা পেয়েছেন।
শহীদ নিার ঘাটের শ্রমিক সরদার মো. ফিরোজ শেখ ও রায়েন্দা বাজার ট্রলারঘাট শ্রমিক সরদার মো. খলিল হাওলাদার জানান, করোনার কারণে পণ্য পরিবহনের ট্রলার ও ট্রাক কম আসায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছে। দুটি ঘাঠে একশ’র বেশি শ্রমিক রয়েছে। তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে সবাই কষ্টে আছে।
রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষকে সরকার মানবিক সহায়তা প্রদানের ঘোষনা দিয়েছে। এজন্য তাদের তালিতা প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net