ঢাকা   ০৭:৪৫:২৯ পিএম, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা  আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

করোনা : বদলে গেছে ইফতার সামগ্রীর বাজার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৯৬ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বদলে গেছে ইফতার সামগ্রীর বাজার। অধিকাংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ। ফুতপাতেও বিক্রি করতে দেওয়া হচ্ছে না ইফতার সামগ্রী। তবে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার ছোট ছোট রেস্তোরাঁয় অল্প পরিমাণে ইফতার সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দ্বিতীয় রোজার দিনে রাজধানীর ধানমন্ডি, জিগাতলা ও শঙ্কর এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাত বা রাস্তার পাশে ইফতার সামগ্রীর দোকান নেই। তাই অন্যান্য বছরের মতো ইফতার সামগ্রীর ব্যবসায়ীদের হাকডাকও নেই। কিছু রেস্তোরাঁয় একটা ঝাপ বা সাটার খুলে অল্প পরিমাণ ইফতার সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে। সেসব দোকানে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

ধানমন্ডি ১৫ নাম্বারের বিসমিল্লাহ হোটেলের ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা হানিফ মিয়া বলেন, ‘করোনার কারণে এবার হাকডাক দিয়ে ইফতার বিক্রি করতে পারছি না। একটি ঝাপ খুলে ইফতার বিক্রি করছি। ক্রেতাদের সবাইকে বলেছি, সবাই যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে।’

ধানমন্ডির আরেক ব্যবসায়ী আজগর আলী জানান, তিনি ২১ বছর ধরে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করেন। ১০ থেকে ১৫ আইটেম সাজিয়ে নিয়ে তিনি বসতেন। কিন্তু এবারের মতো অবস্থা আগে কখনো হয়নি। এবার পুলিশ তাদের বসতে দিচ্ছে না।

ইফতারি কিনতে আসা তামিম হোসেন বলেন, ‘বাসায় ইফতারি বানানোর মতো কেউ নেই। আমি ব্যাচেলর। তাই বাইরে ইফতারি কিনতে আসলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি, একটাই হোটেল খোলা আর ইফতারির পরিমাণও অনেক কম। তার ওপর অনেক ভিড়।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা বন্ধুরা মিলে অনেক ধরনের আইটেম দিয়ে ইফতার করে থাকি। কিন্তু এ বছর সামান্য কিছু খাবার খেতে হচ্ছে ইফতারিতে।

করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কায় এবার ইফতার সামগ্রীর বাজার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্দেশনার পর রাস্তায় ও ফুটপাতে ইফতার সামগ্রীর দোকান বসতে দিচ্ছে না ঢাকা মহানগর পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি