1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আমেরিকায় করোনা দেখে যারা আজ কষ্ট পায়, সেই সব লোকদের জন্য - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে আধিপত্যেকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট!  আহত -৫ মানুষ মেরে পালাচ্ছিলো প্রাইভেটকার : ধাওয়া দিয়ে হাটহাজারীতে আটকালো জনগন নোয়াখালীতে চট্টগ্রাম অঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের শিপইয়ার্ড যেন মৃত্যুকূপ ৯ বছরে ১৩৭ শ্রমিকের মৃত্যু, নিরাপত্তা তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নকলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী মিথ্যা মামলায় ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২

আমেরিকায় করোনা দেখে যারা আজ কষ্ট পায়, সেই সব লোকদের জন্য

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৩১ বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন,উনার নাম ডাঃ আফিয়া সিদ্দীকা।তিনি পৃথিবীর একমাত্র নিউরো-সাইন্টিস এবং কুরআনের হাফেজা বিজ্ঞানী।তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভূল হলো তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত মুসলিম নারী এবং ইসলাম সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বের অভিযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করতেন।
আজ বিশ্বের মানবতার বুলি উড়িয়ে বেড়ানো আমেরিকা তাকে গত প্রায় ১৫ বছর যাবৎ কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। বন্দি থাকা অবস্থায় তার উপর চালানো হচ্ছে পাশবিক নির্যাতন এবং গণধর্ষণ। ডাঃ আফিয়ার বাড়ী পাকিস্তানে।
২০০৩ সালে প্রথমে কিডন্যাপ করা হয় ড. আফিয়াকে। এ কিডন্যাপিংয়ে সহায়তা করে খোদ পাকিস্তান সরকার। গুম করে রাখা হয় ২০০৮ পর্যন্ত। নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান টর্চার সেলে। চলতে থাকে দিনের পর দিন গণ ধর্ষণ। তাকে উলঙ্গ করে কুরআন মাজিদের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে বলা হত, যাও! কুরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে এসো। ড. আফিয়া সেটি করতে পারতেন না। কারণ, তিনি মুসলমান।
.
কারণ তিনি কুরআনকে ভালবাসতেন। ৩০ পারা কুরআন তার বুকে ছিল। তিনি একজন হাফেজা ছিলেন। ফলে তার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যেত।
.
২০০৮ সালে তাকে নিয়ে সাজানো হল মূল নাটক। এক মার্কিনী খ্রিষ্টান সেনা হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানো হল। শুরু হয় বিচারিক প্রহসন।
.
আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষণা করে! একজন নারী, একজন মুসলিম সাইন্টিস্ট কুরআনে হাফেজাকে নিয়ে বিশ্ব মোড়লরা মেতে উঠলো নোংরা খেলায়। ছয়’শ কোটি মানুষের এ পৃথিবীতে দেড়’শ কোটি মুসলমানের এ দুনিয়ায় কেউ কিছু বললো না!
.
আশ্চর্য এক পৃথিবীতে আমাদের আবাস ! ড. আফিয়ার বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচারিক রায় ঘোষণার সময় তাকে কিছু বলতে বলা হলে বিচারকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন :
” আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেফ করার, উলঙ্গ করে সার্চ করার! আপনার কাছে কিছুই বলবার নেই আমার। আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলবো। আমি তো সেদিনই মরে গেছি, যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষণকরা হয়েছিলো। আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে আমার দেশে যেতে দিন ”
ডাঃ আফিয়াকে নিয়ে মুসলিম বিশ্বের কোনো দেশই কোনো আগ্রহ দেখায়নি।আরব বিশ্বের দেশগুলো হাতে চূড়ি পড়ে বসে আছে।
কয়েকটি মিডিয়ার দাবী ডাঃ আফিয়া মারা গেছেন।কিন্তু তার মৃত্যুর খবর এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।যদি তার মৃত্যু হয়ে তাকে তবে সেটা তার জন্য মুক্তি হবে,কেননা এই কয়েকবছর যাবৎ তার উপর যে অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার মুক্তির একমাত্র পথ মৃত্যু।
বিশ্বে আজ যারা নারীবাদের স্লোগান দিচ্ছেন,তারাও ডাঃ আফিয়ার বিষয়ে কোনো শব্দ করছেনা।বিশ্ব মিডিয়া যেহেতু পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত তাই মিডিয়াগুলোতেও ডাঃ আফিয়ার কোনো খবর আসছে না।
এই বোনটি যদি মারা গিয়ে থাকে তবে আল্লাহর কাছে দোয়া করছি ” হে আল্লাহ! আপনি ডাঃ আফিয়াকে সুমাইয়া ( রাঃ)র মতো শাহাদাতের মর্যাদা দান করুন ”
আমিন…..collect

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net