1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নোয়াখালীতে করোনা পরিস্থিতিতে ধান তোলা নিয়ে হতাশায় কৃষক; নেই প্রশাসনের সহযোগিতা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের স্মারকলিপি প্রদান হাটহাজারী মাদরাসা ছাত্র আরিফুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যু : মাগফিরাত কামনায় জামেয়ার মহাপরিচালক আলেমগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই জুলাই আন্দোলন সফল হয় : আল্লামা শেখ আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কোম্পানীগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত  “স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার করেন, জনগণ আপনাদের ছাড়বে না: সাক্কু ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে পার্কভিউ হাসপাতাল আমিলাইষে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে ২ হাজার রোগীকে সেবা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৩ আসামী গ্রেফতার

নোয়াখালীতে করোনা পরিস্থিতিতে ধান তোলা নিয়ে হতাশায় কৃষক; নেই প্রশাসনের সহযোগিতা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৫২ বার

মাহবুবুর রহমান : চলে এসেছে বরো ধান কাটার মৌসুম। চারদিকে সবুজের ফসল গুলো যেন সোনালী রঙে রুপান্তরিত হচ্ছে। গতবছরের চেয়ে এ বছর ফসলের অবস্থা এখনো পর্যন্ত ভালো মনে করছেন কৃষকরা। সব কিছু ঠিক থাকলে এ বছর নতুন এ ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। ইতিমধ্যে অনেক জমিতে ধান পাকা শুরু হয়েছে আর এতে ধান তোলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

এ দিকে ধান কাটা যতই ঘনিয়ে আসছে কৃষকদের চোখে-মুখে বিষন্নতার চাপ তত বাড়ছে। এক দিকে অর্থ সংকট অন্য দিকে ফসল তুলতে শ্রমিক সংকট দুই সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষকদের।

সরেজমিনে কথা বলতে গেলে সূবর্ণচর উপজেলার মরফত মিয়া জানান, আমাদের এ অঞ্চলের মানুষরা বরোধান চাষাবাদের মাধ্যমে সারা বছর চাল সংগ্রহ করে থাকে। মাঝখানে আউশ আর পৌষ ধান উঠলেও বরোধানের মত বাম্পার ফসল হয় না। তাই আমরা যারা এ অঞ্চলের মানুষ তারা মূলত বরোধানের উপর নির্ভর বেশি।

এ বিষয়ে জেলার শিক্ষাবিধ প্রফেসর আবুল বাশার জানান, নোয়াখালীর প্রধান ফসল এবং উত্তরের চারটি উপজেলার একমাত্র ফসল বোর ধান কাটার এখন সময়। ফসল কাটার জন্য শ্রমিক নাই বললেই চলে। Hervesting machine দিয়ে যশোর জেলার মতো( কৃষক তেলের খরচ দিবে এ শর্তে ) এ জেলা কর্তৃপক্ষ ধান কাটার যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেন তবে বাম্পার ফলনের এ মৌসুমে ফসল ঠিক ভাবে কৃষকের ঘরে উঠবে।ফলে সামনের দুঃসময়ে বৃহত্তর নোয়াখালীতে আগামী মৌসুম পর্যন্ত খাদ্যের অভাব হবে না।

এদিকে জেলার সোনাইমুড়ি,বেগমগঞ্জ, হাতিয়া, সুবর্ণচর,সদর উপজেলার সহ বেশ কিছু এলাকায় কৃষি বরো ধানের আবাদ এবার বাম্পার ফলন হয়েছে কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এই সকল এলাকার কৃষকরা ধান তোলা নিয়ে শ্রমিক না পাওয়ার হতাশায় দিন কাটছে।

তারা আরো জানান, এই মুহূর্তে সরকার যদি ধান কাটার সরঞ্জামাদি প্রদান করে তাহলে তারা নির্বিঘ্নে এই প্রতিষ্ঠানগুলো ঘর তুলতে পারবেন একই সাথে মোকাবেলা করতে পারবেন এই পরিস্থিতি করেছেন সরকারি

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর নোয়াখালী অঞ্চলে বরো ধানের আবাদ হয়েছে ৬৫৬৪০ হেক্টর জমিতে। একই সাথে আমরা এ বছর লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করেছি হাইব্রিড ৪.৮৫ মে.টন, বিআর ১৯ ৩.৭৫ মে.টন। আমরা ধান একই সাথে আমাদের বর্তমানে ৪৪ টি Hervesting machine আছে । কেউ জানালে আমরা বিষয়টি দেখবো।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাশের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net