1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
উপরে ফিটফাঁট ভিতরে সদর ঘাট শরণখোলায় নির্মানাধীন বাঁধে ভাংঙন, সাউথখালী ইউনিয়ন ঝুঁকিতে! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ১০ হাজার টাকা জরিমানা  আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে সিএনজি স্টেশনে চাঁদাবাজি অভিযোগে মিছিল হাটহাজারী মাদরাসায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নৃত্য, গান, কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধাঞ্জলি

উপরে ফিটফাঁট ভিতরে সদর ঘাট শরণখোলায় নির্মানাধীন বাঁধে ভাংঙন, সাউথখালী ইউনিয়ন ঝুঁকিতে!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৯ মে, ২০২০
  • ৩০৪ বার

আবু নাঈমঃবর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই বাগেরহাটের শরণখোলায় নির্মানাধীন ৩৫/১ পোল্ডারের ভেরিবাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বলেশ্বর নদী সংলগ্ন প্রায় দশ গ্রামের বসতি সহ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আতংঙ্ক বিরাজ করছে। নদী সন্নিকটের বাসিন্দাদের দাবি ভাংঙ্গন কবলিত এলাকা শাসন করা না হলে শরণখোলা উপজেলার গাবতলা ও বগী, বকুলতলা এবং চালিতাবুনিয়া, উত্তর-সাউথখালী, দক্ষিন-সাউথখালী, চাল-রায়েন্দা, সোনাতলা, শরনখোলা এবং বলেশ্বর নদী লাগোয়া দশ গ্রাম সহ পুরো সাউথখালী ইউনিয়নটির বাসিন্দারা ছাড়াও তাদের ঘরবাড়ি, ফসলী জমি ও গৃহপালিত প্রানী চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নদী ভাঙ্গন ঠেকানো না গেলে ওই ইউনিয়নটি প্রায় গিলে ফেলবে বলেশ্বর। যার ফলে অসহায় পরিবারের সংখ্যা বৃদ্বি পাবে।
স্থানীয়রা জানায়, ৮ ও ৯মে গত দুই দিনের আকস্মিক ভাংঙ্গনের ফলে ওই ইউনিয়নের গাবতলা ও বগী গ্রাম সংলগ্ন বাঁধের প্রায় ৫বিঘা জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া বালু দিয়ে বাঁধ নির্মান করায় কাজের মান তেমন ভালো হচ্ছে না। বালুর উপর বøক বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যার কারনে উপরে ফিটফাঁট কিন্তু ভিতরে সদর ঘাটের মতো অবস্থা। বৃষ্টি মৌসুমে জোয়ারের পানি ব্যাপক ভাবে চাঁপ দিবে। ওই সময় বাঁধের মধ্যে পানি ঢুকে বালু সরে গিয়ে আর বাঁধ টিকবে না।
তবে, খবর পেয়ে (শনিবার) দুপুরে উপকূলীয় বাঁধ নির্মান প্রকল্পের (সিইআইপি) কর্মকর্তারা সহ শরনখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্থফা শাহিন ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এবং বাঁধের অংশে আপতকালীন রিং-বাঁধ দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। বর্তমানে ভাংঙনের মুখে রয়েছে ২০০৭ সালে গাবতলা বাসীর জন্য সেনাবাহীনির ত্বত্তাবধায়নে নির্মিত উন্নত মানের আশারআলো মসজিদ, বাবলাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অনেক ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের হাওলাদার বলেন, ৮মে (শুক্রবার) সকালে দেখি হঠাৎ করে প্রায় তিন বিঘা জমি নিয়ে বাঁধটি নদীতে দেবে যায়। গত দুই দিনে ৫/৬ বিঘা জমি নদীতে চলেগেছে। এছাড়া বহু বছর ধরে ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি বলেশ্বর নদীতে ভাংঙতে ভাঙ্গতে (আমরা) এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। ভেরিবাঁধের অনেক জায়গায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। দ্রæত বাঁধ নির্মিত না হলে আর বাঁচার উপায় থাকবে না। তবে, বাঁধের দুই কিঃমিঃ এলাকা জুড়ে বøক ফেলতে পারলে উক্ত ভাংঙন সাময়িক বন্ধ হতে পারে। নদী শাসন করে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রিয়াদুল পঞ্চায়েত বলেন, ২০০৭ সালের ঘুর্নিঝড় সিডরের পর উপকুল বাসীর দাবি ছিল টেকসই বেড়িবাঁধ। তবে,বাঁধ নির্মান শুরু হয়েছে কিন্তু তা টেকসই নয়। প্রতি বছর বৃষ্টির মৌসুমে ভাংঙলেও, এবার একটু আগেই ভাংঙন দেখা দিয়েছে। দ্রæত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে স্থানীয়দের ঘরবাড়ি সহ কৃষি জমি বলেশ্বর নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, ভাংঙনের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আকস্মিক ভাঙনে প্রায় ৫০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। যত দ্রæত সম্ভব ওই স্থানে একটি রিং বেড়িবাঁধ দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৫ সালে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প (সিইআইপি) নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। জমি অধিগ্রহণের পর ২০১৬ সালে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ৬৭ টি কিলোমিটার বাঁধের প্রায় ৫০ কিলো মিটারের নির্মান কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাহিদুজ্জামান খাঁন বলেন, ৩৫/১ পোল্ডারের অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বগী ও গাবতলা এলাকার দুই কিলোমিটার অংশে নদী শাসন ও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ওই স্থানের কাজ দ্রæত শেষ করার। ##

শরনখোলা ,বাগেরহাট।
তাং-০৯-০৫-২০২০

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net