ঢাকা   ০১:১০:৪৩ এএম, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা  আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

নয়নাভিরাম সবুজের অপরূপ সৌন্দর্য বৃষ্টিস্নাত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৬৬৬ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

বিশেষ সংবাদদাতা | মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার:

ইট-পাথরের যান্ত্রিক নগরী ঢাকায় বুকভরে নিশ্বাস গ্রহণ ও চোখের প্রশান্তির জন্য সবুজ গাছ-পালাবেষ্টিত স্থানের বড়ই অভাব। যানজট, যানবাহনের কালো ধোয়া, সর্বত্রই মানুষের ভিড়-হইচই, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ এ শহরের স্বাভাবিক সময়ের নিত্যদিনের চিত্র। কিন্তু গত চার মাসেরও বেশি সময় ধরে মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যু-আতঙ্কে নগরবাসী বলতে গেলে চার দেয়ালে বন্দি।

এমন পরিস্থিতিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটানোর অন্যতম স্থান হতে পারে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। উদ্যানের চারপাশে এখন অসংখ্য সবুজ বৃক্ষরাজির সমারোহ। বিশাল উদ্যান জুড়ে সবুজ গাছের গালিচা, গাছে গাছে রঙ-বেরংয়ের ফুল, কোকিল ও দোয়েলসহ বিভিন্ন পাখির কলরব, কাঠবিড়ালির দুরন্তপনা, লেকের পানিতে মাছের ছুটে চলা ও কালেভদ্রে পানকৌড়ির ডুব-সাঁতারের দৃশ্য নয়ন জুড়ায়।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে কিছুদিন আগেও উদ্যানের চৌহদ্দিতে গজিয়ে ওঠা ঘাস অযত্নে অবহেলায় বিশাল আকার ধারণ করেছিল। কিন্তু সম্প্রতি মেশিনের সাহায্যে ঘাস কেটে ফেলায় এখন যে কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সবুজ ঘাসের গালিচায় বসে নির্বিঘ্নে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে দেখা গেল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে সুনসান নীরবতা। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা থাকায় নিয়মিত প্রাতঃভ্রমণকারীদের উপস্থিতি ছিল হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন। হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ক্ষণিকের মধ্যে গোটা উদ্যান শূন্য হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের বৃষ্টিতে সবুজ গাছপালা ও উদ্যানের ঘাসগুলো আরও সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে।

শিখা চিরন্তনের সামনে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজছিলেন রাজু আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিদিন ঘণ্টাখানেক সময় কাটিয়ে সারাদিনের কাজের ক্লান্তি দূর করি। উদ্যানের বিশুদ্ধ অক্সিজেন ও নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মনটা ভরে যায়।’

গৃহবধূ নাসিমা আক্তার বললেন, উদ্যানের লেকটির পাশে বসে তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পান। তবে লেকের পানি নোংরা হওয়ায় তা চোখে লাগে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি