ঢাকা   ১১:১৭:৪৭ এএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা 

গাবতলা মৎস্য আড়তে সম্ভাবনার হাতছানি

খ.ম. নাজাকাত হোসেন সবুজ। বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬২০ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

বাগেরহাট জেলার, ফকিরহাটের বেতাগা ইউনিয়নের জয়বাংলা মোড়ে (গাবতলা) অবস্থিত মৎস্য আড়ৎ এখন দক্ষিণাঞ্চলের নির্ভরযোগ্য মৎস্য আড়তে পরিনত হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ৪মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে। পুনরায় চালু হবার পর প্রথম দিকে ক্রেতা-বিক্রেতা তেমন দেখা না গেলেও বর্তমানের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর এই ভিন্নতার কারণে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই মৎস্য আড়ৎ।

ফকিরহাট বটিয়াঘাটা রামপাল রুপসা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতা-বিক্রেতায় ভরপুর থাকে উপজেলার এই মৎস্য আড়ৎ। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাছ ক্রয়ের পর পাঠানো হয় ঢাকা চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বড় বড় মোকামে। স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য সঠিক প্রক্রিয়ায় ওজন মাপা,সুদক্ষ হিসাব রক্ষক দিয়ে সকল হিসাব পরিচালনা করা ও আর্থিক লেনদেন সর্বদা নগদ পরিশোধ করার কারণে খামারি ও চাষিদের আস্থার প্রতিকে রুপ নিয়েছে এই মৎস্য আড়ৎ।

জানা যায়, গত ১লা সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ ও বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ইউনুস আলী’র অনুমতি ক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৎস্য আড়তটি চালু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় চালু হয় এই মৎস্য আড়ৎ।

মাছ বিক্রয় করতে আসা চাষি দুলাল চন্দ্র হালদার, ফিরোজ তরফদার জানান, করোনার কারণে আমাদের বেশ ক্ষতিসাধন হয়েছে, তবে এখন কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছি। এই মৎস্য আড়ৎ এ মাছ বিক্রি করে টাকার জন্য ঝামেলা হয়না কারণ এখানে নগদ কেনা-বেচা হয়। যার কারণে আমরা বিক্রি করে প্রশান্তিতে আছি।

জয়বাংলা মোড় মৎস্য আড়ৎ কমিটির সাধারন সম্পাদক বিপুল চন্দ্র রায় বলেন, আমরা দীর্ঘ ৪মাস পর আড়ৎ খুলেছি। আমরা সর্বদা চেষ্টা বাজারে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সেজন্য আমরা মনিটরিং ও সচেতন করি।

জয়বাংলা মোড় মৎস্য আড়ৎ কমিটির সভাপতি অলিপ কুমার দাশ বলেন,আমরা চেষ্টা করছি যাতে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা মাছ বিক্রি করতে এসে কোন প্রকার বিরম্বনায় না পড়ে। আমাদের এই মৎস্য আড়ৎ এ নগদ টাকায় কেনা-বেচা,সঠিক মাপ ও সরকারী নিয়মনীতি মেনেই পরিচালিত হয়। আশা করি এভাবে পরিচালনা ভবিষৎ এ করতে পারলে এই দক্ষিনাঞ্চলের একটি বড় মৎস্য আড়ৎ এ পরিনত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি