1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পাটে কাঙ্খিত ফলন পায়নি গোপালগঞ্জের কৃষক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক চন্দনাইশ শঙ্খ নদীতে স্লাইজ পড়া বন্ধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ নোয়াখালীর সেনবাগে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঢাকার মীরপুর “ল” কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন থিয়েটার ইউনিট মাগুরার তিন দিনব্যাপী অভিনয় কর্মশালা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত

পাটে কাঙ্খিত ফলন পায়নি গোপালগঞ্জের কৃষক

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭৪৫ বার

বাংলাদেশের মধ্যে পাট চাষে ফরিদপুর অঞ্চল বিখ্যাত। এ অঞ্চলে প্রচুর পাট হয়। গোপালগঞ্জের ৫ টি উপজেলাতেই এবারে ব্যাপক হারে পাট চাষ করেছেন কৃষক। এরমধ্যে জেলার মুকসুদপুর উপজেলাতে পাটের আবাদ বেশি হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিতে কয়েক বার বীজতলা ডুবে যাওয়ার কারণে জমি ভেজা ও নরম থাকায় সময়মত আগাছা পরিষ্কার করতে পারেনি কৃষক। এরপর আবার আগাম বন্যার পানি পাট গাছের গোড়ায় জমে যাওয়ায় পাট পোক্ত বা আঁশ মোটা ও লম্বা হওয়ার আগেই কাটতে হয়েছে। এতে ওজনে কম হয়েছে এবং প্রতি বিঘায় কৃষকের ঘাটতি হয়েছে প্রায় সাত থেকে আট মণ পাট। পাটের ফলন কম হওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে পাটের দাম বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়ে কৃষককে চরম লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করবে সরকার, এমনটাই আশা করছেন তারা।
সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি মণ পাট দু’হাজার থেকে ২৪ শ’ টাকায় বিক্রি করতে পারছি। দাম মোটামুটি ভালো কিন্তু ফলন কম হয়েছে এজন্য এবার লোকসান হবে। নিচু জমিতে পাট ভাল হয় নাই। পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণে পাট খাটো ও চিকন হয়েছে। এজন্য প্রতি বিঘায় যে পরিমাণ ফলন হয় তার অর্ধেক ফলন হয়েছে।

সদর উপজেলার মানিকহার গ্রামের সুবির কুমার বলেন, অন্য বছরের তুলনায় পরিবহণ খরচ কম লেগেছে ঠিকই তবে বন্যার কারণে পানিতে ডুবে যাওয়ায় পাট কাটা খরচ বেড়েছে। এতে খরচের পরিমাণ একটুও কমেনি।
সদর উপজেলার তালার বাজার এলাকার পাট ব্যবসায়ী কাশেম শেখ জানান, পাট জাগ ও ধোয়ার জন্য এবারে পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে কৃষক। এতে পাটের চেহারা সুন্দর ও সোনালী রঙের হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছে কৃষক। বেচা-কেনাও ভালো।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দ কুমার রায় জানান, জেলার ৫টি উপজেলায় মোট ২৪ হাজার ৮শ ৮৩ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। যা গতবারের তুলনায় ৩ হাজার হেক্টর বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল প্রতি হেক্টরে গড়ে ১.৮৬ মেট্রিক টন। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে বলেও জানান ওই কৃষি কর্মকর্তা। তিনি কৃষককে পরামর্শ দিয়েছেন আগামী মৌসুমে রবি-৮জাতের পাট চাষাবাদের জন্য। এটি কৃষি গবেষণা ইন্সিটিটিউট এর মাধ্যমে বাজারে এসেছে। লম্বায় ২০ ফুট এবং ফলনও প্রচুর হয় এই রবি-৮ জাতের পাটে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net