1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গুইমারাতে বিষমুক্ত পাহাড়ী কলার ব্যাপক সমারোহ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর প্রাইভেট কার ছিনতাইয়ের অভিযোগ! সাতকানিয়ায় মুসলিম এইডের ত্রাণ বিতরণ আত্মগোপনে থাকার পর ডিবির হাতে গ্রেপ্তার সাবেক মেয়র রাসেল ও বশির আহমেদ নাজিরহাট পৌরসভার প্রকল্প পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের পরিচালক ঈদগাঁওয়ে পরিবেশ রক্ষায় থানা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গ্রীনপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি -২০২৬ অনুষ্ঠিত রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ বাবাকে অবশেষে চিকিৎসায় নিলেন প্রবাসী ছেলে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া খাতুন ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা 

গুইমারাতে বিষমুক্ত পাহাড়ী কলার ব্যাপক সমারোহ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

আবদুল আলী গুইমারা খাগড়াছড়ি।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৫৬ বার

কলা রোয়ে না কেটোপাত তাতে কাপড় তাতে ভাত এ শ্লোগান বাস্তবায়নের অন্যতম জনপদ পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা ও মাটিরাঙ্গা।
সময়ের সাথে সাথে ‘পাহাড়ে কলা চাষে অর্থনেতিক স্বচ্ছলতার পথে হাঁটছে চাষিরা’। খাগড়াছড়ির বিভিন্ন প্রত্যন্ত জনপদ থেকে দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে বিপুল পরিমাণ কলা বিক্রি হয় খাগড়াছড়ির জেলার মাদার মার্কেট বলে খ্যাত গুইমারা বাজারে।
পাহাড়ে চাষীদের নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত কলা যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ সমতলের বিভিন্ন জেলায়। এখানে সাপ্তাহিক হাটের দিন শনি ও মঙ্গলবার বেচাকেনা হয় লাখ লাখ টাকার কলা। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কলা ব্যাবসায়ীদের পদচারণায় মুখরিত গুইমারা বাজার। ১৫ ফেব্রুয়ারী গুইমারা বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। খাগড়াছড়ির সবচেয়ে বড় কলার হাট হিসেবে পরিচিত গুইমারা ও মাটিরাঙ্গা বাজার।
এসব বাজার থেকে স্থানীয় পাইকারদের হাত ধরে এসব পাহাড়ি কলা ট্রাক ও পিকআপে বোঝাই করে ফেনী, কুমিল্লা,নরসিংদী, চাঁদপুর, ব্রাম্মনবাড়ীয়া ও চট্টগ্রামসহ দেশের বড় বড় শহরে নিয়ে যান পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
আবাহাওয়া ও মাটির উর্বরতার ফলে পাহাড়ে দেশীয় কলাচাষের উপযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে। পার্বত্যাঞ্চলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে দেশি কলার চাষ বাড়লেও বাড়েনি কলা চাষে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সঠিক সময়ে বাজারজাতকরণের অভাবে উপযুক্ত দাম মেলে না।

পরিবহন সুবিধার জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হলে কলা বাজারজাত আরও সহজতর হয়ে উঠত বলে মনে করেন চাষিরা।
জানা গেছে, পাহাড়ে মাটিভেদে বিভিন্ন জাতের কলার আবাদ হয়। এর মধ্যে দুই জাতের কলার আবাদ হতে দেখা যায়। একটি দেশি জাতের বাংলা কলা আর অন্যটি চম্পা কলা। বাংলা কলা ও চম্পা কলা ছাড়াও সরবি ও সাগর এবং সূর্যমূখী কলার আবাদ হয় এখানে।
এ এলাকায় কলা আবাদে কীটনাশক ব্যবহার হয় না বললেই চলে। কলা এমনিতেই পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল। তার ওপর বালাইনাশক ব্যবহার না হওয়ায় এ এলাকার কলা পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ। সারাবছর এসব কলার ফলন পাওয়া গেলেও আগস্ট থেকে অক্টোবর মাসে ফলন মেলে সবচেয়ে বেশি।
কলা চাষে সরকারিভাবে প্রণোদনার দাবি জানিয়ে চাষিরা বলেন, সরকারি ধান ও সবজি চাষে কৃষকদের প্রনোদনা দিলেও পাহাড়ের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখা কলা চাষিরা বরাবরই উপেক্ষিত হচ্ছে। তাদের মতে সরকারি প্রণোদনা দেয়া হলে কলা চাষ আরো বেশি সম্প্রসারিত হবে।
খাগড়াছড়ির বাজারে ব্রাম্মনবাড়ীয়া থেকে আসা কলা ব্যবসায়ী লাল মিয়া (৫০) জানান, সারাবছরই তিনি মাটিরাঙ্গা ও গুইমারা বাজার থেকে ব্রাম্মনবাড়ীয়া ও আশেপাশের জেলায় কলা নিয়ে যান। সমতল এলাকায় এসব পাহাড়ের কলার চাহিদা বেশি বলে জানান।

স্থানীয় বাজারে প্রতি ছড়া কলা প্রকারবেদে ৪০০থেকে ৫০০ টাকায় কিনেছি। যা সমতলের জেলায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হয়। চট্টগ্রাম থেকে আসা ব্যবসায়ী জামির (৩৫)বলেন, ‘সমতল এলাকার কলা আর পাহাড়ের কলার মধ্যে পার্থক্য অনেক।
এখানকার কলা আকারে সমতলের কলার চেয়ে অনেক হৃষ্টপুষ্ট। তাই এখানকার কলা নিয়ে বাজারে বসে থাকতে হয় না। এগুলো সমতলের ক্রেতারা লুফে নেয়।’
খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মর্তুজা আলী বলেন, পাহাড়ের মাটিতে বাংলা ও চাপা কলা ভালো হয়। ‘পাহাড়ের মাটিতে এসব কলা প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে। তেমন পরিচর্যারও প্রয়োজন পড়ে না। শুধু কলা চারার আশপাশে জঙ্গল পরিষ্কারসহ মরা পাতা ও অতিরিক্ত চারা কেটে ফেলে দিলেই হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net