1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গোপালগঞ্জে এক ইউপি-চেয়ারম্যানের প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীর সংবাদ-সম্মেলন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের ওপর হামলার অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেবাচিমে ভর্তি ঈদগাঁওয়ে ভোগান্তিতে ডজনাধিক পরিবার, ঘেরাবেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত উনকলায় প্রাথমিকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা  নবীনগরে ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন খাগড়াছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা : বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বারোপ

গোপালগঞ্জে এক ইউপি-চেয়ারম্যানের প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীর সংবাদ-সম্মেলন

সাবেত আহমেদ,গোপালগঞ্জঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৪৯ বার

গোপালগঞ্জে এক ইউপি-চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিনিয়োগ ফেরৎ না দেয়া এবং মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ-সম্মেলন করেছে ঢাকার এস এম ব্রিকস্ এর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন। আজ শুক্রবার দুপুর ১২ টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের ডুমদিয়া গ্রামে মামা-শ^শুড় বাড়িতে এ সংবাদ-সম্মেলন করেন।

সংবাদ-সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকায় ব্যবসার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত। শ^শুড়কুল বিবেচনায় ডুমদিয়া গ্রামে একটি এতিমখানা ও মাদ্রাসার ব্যয়ভার নিশ্চিত এবং নিজ ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০১৭ সালে উরফি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন গাজীর সঙ্গে এস এম ব্রিকস্ নামে ইট-ভাটার অংশীদারী ব্যবসা শুরু করি। এক বছর পর একই গ্রামের দাউদুর রহমানের ছেলে মারুফ হোসেনকে ওয়ার্কিং-পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দেই। এরইমধ্যে আমি একাই বিনিয়োগ করি আড়াই কোটি টাকারও বেশি। সে সঙ্গে ২০১৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী আমার ৪০%, ইউপি-চেয়ারম্যানের ৪০% এবং মারুফ হোসেনের ২০% অংশীদারিত্ব নির্ধারিত হয়। এরপর তিনটি বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি চুক্তিপত্রের কোন শর্ত রক্ষা করেননি। আমি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একক বিনিয়োগকারী এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও পার্টনার হিসেবে কখনও কোন আলোচনা বা হিসাব-বিবরণী আমাকে দেয়নি। এছাড়াও তারা প্রায় ১৭ জনের কাছ থেকে ইট বিক্রীর জন্য অগ্রীম টাকা (দাদন) নিয়েছেন, যা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক-হিসাবে জমা হয়নি। এসব টাকাও আত্মসাৎ করবে বলে আমি আশংকা করি।

তিনি আরোও বলেন, তার কাছে বার বার হিসেবপত্র বা লভ্যাংশ চেয়েছি; কিন্তু কোনকিছুই তারা আমলে নেয়নি। বরং আমাকে বাদ দিয়ে এবং এস এম ব্রিকস্ এর নাম পরিবর্তন করে নতুন চুক্তিপত্র করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন বলে তারা হুমকি দিয়েছেন। নানাভাবে চেষ্টা করে এসবের কোন সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আমি আদালতে শরণাপন্ন হই। অথচ আমারই দেয়া স্বাক্ষরকৃত ব্লাঙ্ক-চেকে নিজেদের মনগড়া টাকার অংক বসিয়ে তারা মামলা করেছে। তাই আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমার সঙ্গে চরম প্রতারণার এ বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরতে আমি সংবাদ-সম্মেলনের আয়োজন করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net