1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দিনে মশা রাতেও মশা কামড়ে অতিষ্ঠ লাকসাম পৌরবাসী - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামীর মৃত্যু  বন্যায় ভেঙেছে সাতকানিয়ার সড়ক নেটওয়ার্ক, সংস্কারে প্রয়োজন ৩০ কোটি টাকা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার আহ্বান, নবীনগরে উদ্বোধন করলেন এমপি কর্ণফুলীতে গরু চুরি, মাদক ও বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় উদ্বেগ আইন-শৃঙ্খলা সভায় টহল জোরদারসহ একাধিক নির্দেশনা ঈদগাঁওয়ে দ্রুতগামী ট্রাক চাপায় শিশু নিহত পারিবারিক কলহের জের লাকসামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মাগুরায়  ভাই ভাই বেকারীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার মাগুরায় আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত  তরুণ রেস্টুরেন্ট উদ্যেক্তা এস. আলম আলভির উদ্যাগে শহরে প্রথম প্যান এশিয়ান রেস্টুরেন্ট ‘নাযা’ প্রত্যাশী সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

দিনে মশা রাতেও মশা কামড়ে অতিষ্ঠ লাকসাম পৌরবাসী

এম,এ মান্নান, কুমিল্লা বিশেষ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৪২ বার

দিনে মশা। রাতেও মশা যেখানে যাচ্ছি সেখানেই মশা। কোথাও বসে একটু কথা বলবো বাঁধা দেয় মশা, মশার গুন গুন সোনা বন্ধুর গানের শব্দে দিনে-রাতে ঘুম আসে না। মশা মারতে গিয়ে কখনও গালে, কখনও কপালে আবার কখনও পায়ে এমনকি কানে নিজের চড় নিজেকেই খেতে হচ্ছে। কয়েল-মশারি দিয়েও কিছু হচ্ছে না। পৌর কর্তৃপক্ষও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না! যেন মশার দখলে বাস করছি!’ ওরে ভাই এমন বড় বড় মশা শরীলের জামা উপর কামড় মারে, লালার মশা এত বেয়াদব জামা ভিতরে ডুকেও কামড় মারে। ‘কারে কইবা ভাই মশাতো এখন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে’ মশার জ্বালায় শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেক মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে লাকসাম পৌরবাসীর । দৌলতগুন্জ পুরাতন বাজার এলাকার একটি চা স্টলে বসে মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন ব্যক্তি চা খাচ্ছেন উপরোক্ত কথাগুলো বলছিলেন। দীর্ঘ দিন ওষুধ না ছিটানোয় লাকসাম মশার উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে বলে এমন অভিমত সংশ্লিষ্টদের।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও পৌরবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভা রয়েছে ৯ টি ওয়ার্ড ও ৩২ টি মহল্লা ও ৪ টি বাজার নিয়ে গঠিত। এ পৌরশহরে লোকসংখ্যা প্রায় ২ লাখের বসবাস । বিশাল এই জনগোষ্ঠীর পৌর এলাকাটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে মধ্যশহরের ডাকাতিয়া নদী। একসময় নদীটি প্রবাহমান ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের দখল ও দূষণে পুরো নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীতে পড়ছে পৌরসভার ড্রেনেজ ও বাসাবাড়ীর ময়লার পানি। ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হওয়া নদ থেকে লাখ লাখ মশা বংশ বিস্তার করছে। সড়কে পড়ে আছে ময়লার স্তূপ ও পচাপানি। এমনকি ছোট বড় খাল, পকুর, বাসাবাড়ী, হোটেল ও রেস্তোরাঁ ড্রেনেজ পানিতে ময়লার স্তূপ জমে প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। আবার শীতে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় প্রাকৃতিকভাবেও মশা নিধন হচ্ছে না ফলে বেড়ে গেছে মশার উপদ্রব।মশা নিধনে ওষুধ ছিটানোর কোনো উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি। কথা হয় কলেজ ছাত্র ফয়সাল হোসেন বাপ্পি’র সঙ্গে তিনি বলেন, মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। কোথাও এক মিনিট নিরাপদে বসা যাচ্ছে না। ইলেকট্রিক ব্যাট, অ্যারোসল, কয়েল জ্বালিয়েও মশার অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছি না।
চিকিৎসক নাজমুল আহসান রিয়াজ বলেন, মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। ঘরোয়াভাবে মশা নিধন করা যাচ্ছে না। তা না হলে এডিসসহ অন্যান্য মশা থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না। এডিস মশা প্রতিকূল পরিবেশেও ডিম ছাড়তে পারে। ডিমগুলো অনেক দিন টিকে থাকতে পারে। পানির স্পর্শ পেলেই এগুলো থেকে লার্ভা হয়। ওইসব মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করার জন্য পৌরসভার দৃষ্টি কামনা করি।
দক্ষিন লাকসামের বাসিন্দা রিংকু সাহা জানান, মশার উপদ্রব বেশি। দুপুরের পর থেকে ঘরে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হচ্ছে। তাতেও ঠিকমতো মশা যাচ্ছে না। আগে পৌরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো হতো। কিন্তু কয়েক মাস ধরে এ কার্যক্রম লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

দৌলতগুন্জ বাজারে এক ব্যবসায়ী রাজিব পোদ্দার রানা বলেন, মশার উপদ্রব এত বেশি যে দোকানে বসে ব্যবসা করা যায়না। কথা বললে মুখের ভিতর ডুকে পড়েপৌরশহরে মশা নিধনের জন্য জরুরি ভাবে পদেক্ষ নেওয়া দরকার।
মশার উপদ্রবে অতিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মশার কারণে সারাদিন ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। নাকে মুখে মশা কয়েলের গন্ধ সহ্য করতে পারছি না। এভাবে চলতে থাকলে ছেলে-মেয়েসহ সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ব!’

জানতে চাইলে পৌর মেয়র অধ্যাপক আবুল খায়ের বলেন, পৌর শহরে মশার উপদ্রব কমাতে খুব শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net