1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বইমেলায় বইয়ে নেই আগ্রহ, আড্ডায় মশগুল দর্শনার্থীরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন  চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ওসমানগঞ্জে ফুটবল বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হাটহাজারী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাসান গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকার, বিরোধী দলকে আলোচনার আহ্বান মাগুরায় নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা! সাগর হোসেন আটক মাগুরায় শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষকের নামে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ 

বইমেলায় বইয়ে নেই আগ্রহ, আড্ডায় মশগুল দর্শনার্থীরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৯৪ বার

বিশেষ প্রতিবেদকঃ মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বইমেলার শুরু থেকেই ছিল পাঠক, ক্রেতা এবং দর্শনার্থী সংকট। রোববার (২৮ মার্চ) মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল এবারের অন্যদিনের মতোই কম। বেশিরভাগ দর্শনার্থী ছিলেন আড্ডায় মশগুল, স্টলগুলো ছিল ফাঁকা।

এদিকে মেলায় প্রবেশের সময় স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ি থাকলেও মেলার ভেতরে তার ছিটেফোঁটাও ছিল না। দর্শনার্থী কিংবা বিভিন্ন স্টলে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী, মাস্ক ব্যবহারের ব্যাপারে সবাই ছিলেন উদাসীন।

এদিকে কয়েকদিন আগেই পরিবর্তিত হয় লিটলম্যাগ চত্বরের স্থান। নতুন স্থানে আসার পর অনেক স্টলের জায়গা এখনো ফাঁকা অবস্থায় রয়েছে। সেখানে গঙ্গাঋদ্ধি প্রকাশনীতে কথা হয় সম্পাদক মেহেদী হাসান পিয়াসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই জায়গা বদল হওয়ায় এখনো অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এখনও তাদের স্টল এখানে শিফট করেননি। এজন্য অনেক জায়গা ফাঁকা রয়েছে।’

দেখা যায়, যে কয়েকটা স্টল লিটলম্যাগ চত্বরে ছিল, বেশিরভাগ স্টলেই ছিল স্বল্পসংখ্যক বই, ম্যাগাজিন।

মেলায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্ক সাহা শ্যামলবাংলাকে বলেন, ‘ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় এবং করোনার কারণে এবারের বইমেলার প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ নেই। সাড়া জাগানো নতুন কোনো বইও নেই এবার। এখন পর্যন্ত বই কেনার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে এসেছি, তাই ভাবলাম বইমেলা ঘুরে যাই।’

আরেক দর্শনার্থী সুদীপ বসু বলেন, ‘বই না কিনলেও বইমেলায় আসতে ভাল্লাগে। যদিও করোনার কারণে প্রতিদিন আসা হয় না। কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় চলে যাবো।’

মেলায় অনন্যা প্রকাশনীর স্টলের স্বেচ্ছাসেবী কাজী শান্তা বলেন, ‘মেলায় এবার লোকজনের সংখ্যা খুবই কম। প্রতিদিনই কম লোক আসেন, তবে আজ হরতালের কারণে আরও কম মানুষ এসেছেন। তুলনামূলক প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে কিছু বই বিক্রি হলেও, আজ সেই সংখ্যাটাও অনেক কম।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net