এম আর আমিন, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম শপিংমলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ক্রেতা-বিক্রেতা
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের শপিংমল ও দোকান-পাট খুলে দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব মার্কেটের দোকান-পাট খোলার কথা থাকলেও, তা মানছেন না।
চট্টগ্রামে একাধিক শপিংমল ঘুরে দেখা গেছে, প্রবেশপথে দোকানগুলোতে নেই সামাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে মাস্ক থাকলেও, সেটা অনেকের থুতনির নিচে স্থান পেয়েছে।
শর্তসাপেক্ষে মার্কেট খোলার অনুমতি দেয়ার জন্য সবাই সরকারের প্রতি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। দোকান মালিকরা বলছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানলে মার্কেট থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা কম।
লকডাউন ঘোষণার পর চট্টগ্রামে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তারা স্লোগান দেন, স্বাস্থ্যবিধি মানবো, দোকানপাট খুলবো। এমন অবস্থায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখা যাবে বলে ঘোষণা দেয় সরকার।
স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মার্কেট ও হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে করতে গেলে হাতে ছিটিয়ে দেয়া হচ্ছে স্যাভলন মিশ্রিত পানি।

রিয়াজুদ্দিন বাজার শাড়ী ব্যবসায়ী লোকমান জানান, আমরা মাস্ক ছাড়া কাউকে দোকানে ঢুকতে দিচ্ছি না।
ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, মাস্ক পরা নিয়ে নানা অজুহাত, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই।
এদিকে পোশাক কারখানাগুলোতে শর্ত দেয়া হলো শ্রমিকের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পুরো দায়িত্ব নিতে হবে মালিক পক্ষকে। কিন্তু চলমান পোশাক কারাখানাগুলোতে শ্রমিকরা কতটুকু সুরক্ষা পাচ্ছে তার কোনো মনিটরিংও নেই।
শপিংমল ও মার্কেটে স্বাস্থ্যঝুকি মানা হচ্ছে কি না তা তদারকি করতে দোকান মালিক সমিতি, ম্যাজিস্ট্রেট কারও উপস্থিতি চোখে পড়েনি।