1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মেঘনার তীব্র স্রোতে বিলীন হচ্ছে নজরপুরের টেক চরাঞ্চল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি ২২ অবৈধ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সাংবাদিকরা সাইবার সুরক্ষা আইনের শিকার হোক, সেটা আমরা চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক

মেঘনার তীব্র স্রোতে বিলীন হচ্ছে নজরপুরের টেক চরাঞ্চল

সফিকুল ইসলাম রিপন, নরসিংদী |
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ৪৬৪ বার

নরসিংদী সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের নজরপুর গ্রাম সহ বেশ কিছু এলাকায় বর্ষাকাল আসার আগেই মেঘনার তীব্র স্রোতে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে মেঘনার তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। হুমকির মুখে পড়েছে মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকার জনগন
নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল নজরপুর, করিমপুর,চরদীঘলদী, ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি চর এলাকা নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার জন্য ইতিমধ্যেই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে যা বর্তমানে শেষের দিকে। কিছু কিছু এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু এবার বর্ষা আসার আগেই মেঘনার ঢেউয়ের তীব্র তোড়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চরাঞ্চলের মেঘনা তীরের কৃষি জমিগুলো। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মিনি কক্সবাজার খ্যাত নজরপুরের টেক।
নজরপুরে গিয়ে দেখা যায় তিনদিকে নদীবেষ্টিত প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম নজরপুরের টেকের শতশত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে ভ্রমন পিপাসুদের পদভারে মুখরিত স্থানটি বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় চরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, জোয়ারের পানির তোড়ে ভেঙে নদীর তীরবর্তী জমিগুলোসহ নজরপুরের মিনি কক্সবাজার খ্যাত টেকটি নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। শত বৎসরের ঐতিহ্যবাহী এ টেকটিকে ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এলাকার জনগন

নজরপুরের স্থানীয় বাসিন্দা আসলাম ফকির বলেন, ‘৩ কিলোমিটার বিস্তৃত মনোমুগ্ধকর চরের ৪টি সেট ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যেটুকু আছে সেটুকু ও যদি চলে যায় তাহলে এই এলাকার কৃষকদের বেঁচে থাকার আর কোন পথ থাকবে না । আমরা সরকারের নিকট দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চাই তিনি আরো বলেন যে দিকে বেড়িবাঁধের বেশি প্রয়োজন ছিল সে দিকে না করে বিলাসিতার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে অথচ এই এলাকার কৃষকরা কৃষি জমি হারিয়ে দিশেহারা আমরা খুব দ্রুত এর সমাধান চাই ইউনুছ ফকির নামে অপর এক এলকাবাসী বলেন, ‘সাড়ে তিনমাইল বিস্তৃত চরের দেড় মাইল ই ভেঙ্গে গেছে। এমতাবস্থায় সরকার যদি এখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে না দেয় তাহলে আমাদের চলতে ফিরতে সুবিধা হবে।’ মোঃ হাসান মিয়া নামে আরেক জন গ্রামবাসী বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যেটুকু রয়েছে সেটুকুতে সরকার যদি বেড়িবাঁধের ব্যাবস্থা করে দেয় তাহলে ছেলে মেয়েদের নিয়ে কোনরকমে চলে যেতে পারব’। আমরা এক সময় এখানে আলু, কড়লা তরমুজ সহ বিভিন্ন ফসল চাষ করতাম এখন বেশি ভাগ জমিই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে যে টুকু আছে তা নিয়ে সংকিত
এসময় উপস্থিত মোঃ চাঁন মিয়া বকশি নামে আরেক গ্রামবাসী তিনি বলেন , ‘আমাদের সবকিছুই নদী কেঁড়ে নিয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে অবশিষ্ট জমি রক্ষার্থে সরকারের নিকট বেড়িবাঁধ নির্মাণের আহবাণ জানাচ্ছি।
ভুক্তভোগী সুলমান মিয়া জানান আমাদের পূর্ব পুরুষরা দেখেছি এখানে নানান রকম ফসল চাষ করতো এখন দেখি পানি আর পানি যে টুকু জমি নদীতে বিলীন হয়েছে সেখানে সাঁতার কেটেও যেতে পারবো না।
এ ব্যাপারে নরসিংদী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, মেঘনা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গ্রামের বেড়িবাঁধ দৃশ্যমান হয়েছে। ওইসব বেড়িবাঁধে মেঘনার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। এছাড়া ও নজরপুরের ‘মিনি কক্সবাজার’ খ্যাত এলাকাটির বিষয়ে অবগত রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক ইকো পার্ক করার বিষয়ে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এ বর্ষার শুরুতে যে সকল এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net