ঢাকা   ০৭:১২:২০ পিএম, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন সম্পন্ন  নকলায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মাগুরায় ২ মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে  নিহত- ১, আহত -১ খাগড়াছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  মাগুরায় বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন কুমিল্লায় বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার মাগুরার আলোচিত যুবদল নেতা শাকের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত চন্দনাইশে এলডিপি’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অধ্যাপক ওমর ফারুক গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু ঢাকা বোর্ডের সচিবকে কুমিল্লায় বদলি যোগদানে ছাত্রদলের হুঁশিয়ারি

মাগুরার শ্রীপুরে চরম বিপাকে পড়েছে পশু খামারিরা

মোঃ সাইফুল্লাহ /মাগুরা প্রতিনিধি ;
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ৫৩০ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

হঠাৎ করোনা পরিস্হিতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় এবারের ঈদে কোরবানির পশু বিক্রয় নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার পশু খামারিরা। সারা দেশের ন্যায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলাতেও দু’দফা কঠোর লকডাউনের কারণে সিমিত পরিসরে বাজার ব্যবস্হা চালু থাকলেও পশু ক্রয় বিক্রয় তেমন হচ্ছে না। এছাড়া কোরবানির উপলক্ষে পশু পরিবহনের পর্যাপ্ত ব্যবস্হা না থাকায় পশুগুলো বিক্রয় নিয়ে শঙ্কিত খামার মালিকেরা। উপজেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রয় যোগ্য অনেক কোরবানির পশু এখন পর্যন্ত খামারেই রয়ে গেছে। সঠিক সময়ে ন্যায্য মূল্যে পশুগুলো বিক্রয় নিয়ে চরম উৎকন্ঠায় রয়েছে তাঁরা।

শ্রীপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের তথ্য মতে, পবিত্র ইদুল আযহাকে সামনে রেখে প্রতিবছর উপজেলার বিভিন্ন খামারে এবং পারিবারিক ভাবে অনেকেই কোরবানির পশু লালন-পালন করে থাকেন। এখন পর্যন্ত উপজেলায় বিক্রয় যোগ্য ১৬৯২ টি ষাড় এবং ১২৩৪ টি ছাগল প্রস্তুত রয়েছে। যা উপজেলার চাহিদা মিটিয়েও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের মাধ্যমে একটি ‘অনলাইন কোরবানির পশুর হাট, শ্রীপুর, মাগুরা’ নামে ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। সেখানে অনলাইনের মাধ্যমে পশুগুলো বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলার খামারপাড়া গ্রামের গরু খামারি মনির খোন্দকার বলেন, করোনায় গরু বিক্রয় নিয়ে খুবই দূঃচিন্তায় আছি। আমার খামারে বিক্রয় যোগ্য ২৫ টি গরু রয়েছে। এখন পর্যন্ত একটি গরু ও বিক্রয় হয়নি। একদম প্রাকৃতিক খাবার দ্বারা এদের লালন-পালন করে আসছি। প্রতিটা গরুর বয়স হবে ৩ থেকে সাড়ে ৩ বছর। গরুগুলো এ বছর বিক্রয় করতে না পারলে আমার চরম লোকসান হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন, করোনা পরিস্হিতিতে পশুগুলো বিক্রয় নিয়ে একটু সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে খামারিরা। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে বেশ কয়েকটি গরু ও ছাগল বিক্রয় হয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময় খামারগুলো পরিদর্শন করছি। পশুগুলো একদম প্রাকৃতিক খাবার দ্বারা প্রস্তুত, কোন প্রকার ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি বলেই আমরা জানি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি