ঢাকা   ০৭:২৩:৩৯ এএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাষ্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের গালিগালাজ করার অভিযোগ পরীমনির বিরুদ্ধে, বিচারপ্রার্থীর ‘মাথা ফাটালেন’ তার নিরাপত্তারক্ষীরা মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী বয়সের ব্যবধান ৫০ বছর: শ্রীলীলার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে

সজীব ওয়াজেদ জয়, ফেসবুক থেকে |
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৯৭ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে। আর তাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ব্লক চেইন, আইওটি, ন্যানো টেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি, রোবটিকস, মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনের মত ক্ষেত্রগুলোতে জোর দিচ্ছি আমরা। এক সাথে উদ্ভাবনের পথে একযোগে কাজ করতে হবে, তাহলেই আমরা এগিয়ে যাব।

বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার, বিদ্যুতের ব্যবহার এবং ট্রানজিস্টার আবিষ্কার ব্যাপক শিল্পায়ন সৃষ্টির মাধ্যমে মানবসভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল বলে ওই তিন ঘটনাকে তিনটি শিল্পবিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখন বলা হচ্ছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবনের পথ ধরে আসছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, যেখানে বহু প্রযুক্তির এক ফিউশনে ভৌতজগৎ, ডিজিটালজগৎ আর জীবজগত পরস্পরের মধ্যে লীন হয়ে যাচ্ছে।

দেশে তথ্যপ্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়ানর জন্য আমরা বিশ্বমানের ৩৯টি হাই টেক পার্ক নির্মাণ করেছি। এসব পার্কে বিনিয়োগে কর অব্যাহতি, বিদেশিদের জন্য শতভাগ মালিকানার নিশ্চয়তা, আয়কর অব্যাহতিসহ নানা সুযোগ আছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনেক ধরণের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যারা ফ্যাক্টরি বা তথ্য প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগে তৈরি অবকাঠামো সুবিধা নিতে চান তারা এখানে বিনিয়োগ করতে পারেন।

দেশে বর্তমানে স্যামসাংসহ কয়েকটি কোম্পানি পণ্য উৎপাদন শুরু করেছে। বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম কনজুমার মার্কেট, এখানে বিশাল মধ্যবিত্ত শ্রেণি রয়েছে। এখানে স্টার্টআপদের জন্য বিশাল সুযোগ রয়েছে। আমার বিশ্বাস, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মেইড ইন চায়না বা ভিয়েতনামের মত বাংলাদেশের তৈরি মোবাইল হ্যান্ডসেট, হার্ডড্রাইভে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ দেখা যাবে।

আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের আইটি খাত একসময় পোশাক রপ্তানি খাতকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৫ সালে মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছি আমরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি