1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে চোরের রাজত্ব, প্রশাসন ব্যর্থ? একের পর এক চুরি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জনমনে  কর্ণফুলীতে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রেস ক্লাবের নিন্দা রুহুল কবির রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় বায়েজিদে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় কুমিল্লা-৯ আসন এমপিকে সংবর্ধনা  বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম  ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্বনবির আদর্শ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ জনের লাশ পৌঁছেছে আত্রাইয়ে সোনারগাঁয়ে “বাপা”র কমিটি আহ্বায়ক ড. নূর আলম, সদস্য সচিব মশিউর রহমান  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে একজনের মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক; ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোম্পানীগঞ্জে কার্যক্রম শূন্য

আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস

শাহাদাত হোসেন রাসেল নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৩৫ বার

৭ই ডিসেম্বর নোয়াখালীর ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক, স্মরণীয় ও আনন্দের দিন। আজ “নোয়াখালী মুক্ত দিবস”। দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে দীর্ঘ ০৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই বিভিন্ন জেলা স্বাধীনতা অর্জন করে। তেমনি ১৯৭১ সালের ৭ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাক – হানাদার বাহীনির দখল মুক্ত হয় নোয়াখালী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নোয়াখালী দখল করে। এরপর তারা নোয়াখালী পিটিআই ও নোয়াখালী বেগমগঞ্জ চৌমুহনী চৌরাস্তার কাছে বেগমগঞ্জ সরকারি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘাঁটি গড়ে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় রাজাকাররা। পাক হানাদার বাহিনী জেলা শহরের শ্রীপুর ও বেগমগঞ্জের গোপালপুরে হামলা চালিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু হত্যা করে এবং বাড়িঘর-দোকানে আগুন দেয় ও লুটপাট চালায়।

শুধুমাত্র নোয়াখালীর সোনাপুরের শ্রীপুর এলাকায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছিল শতাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনা বাহিনী ও স্থানীয় আলবদর-রাজাকারদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের পর মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
২৩ এপ্রিল পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলার মুখে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটলে নোয়াখালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় হানাদাররা।

এরপর দেশের ভেতরে ও ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অস্ত্র হাতে মাঠে নামেন মুক্তিযোদ্ধারা। সেসময় জেলার কোম্পানীগঞ্জ, বামনী, বেগমগঞ্জের বগাদিয়াসহ নানা স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ হয়। শহীদ হন বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা।

নোয়াখালী জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাম্মেল হক মিলন বলেন, ‘২৫ মার্চের পর মুক্তিযোদ্ধারা প্রায় ১ মাস নোয়াখালী মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। পাকিস্তানি সেনারা ২৩ এপ্রিল নোয়াখালী দখল করে নেয়।’

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও তৎকালীন মুজিব বাহিনীর প্রধান নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দৌলতপুরের মাহমুদুর রহমান বেলায়েত বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি ইউনিট মাইজদী শহরের বিভিন্ন স্থানে রাজাকারদের ক্যাম্পে চালায় সাঁড়াশি আক্রমণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় সব ক্যাম্প মুক্তি সেনাদের দখলে চলে আসে। কিন্তু, পিটিআই ক্যাম্পের রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যায়।’

‘ওই দিন ভোররাতে মুক্তিযোদ্ধারা মাইজদী শহরে রাজাকারদের ঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের আক্রমণের মুখে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।’

‘৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে নোয়াখালী জেলা স্কুলের রাস্তার পাশের দোকানে ওঁত পেতে থাকা রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা চালায়। সেসময় এক মুক্তিযোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।’

‘এ ঘটনার পর মুক্তিযোদ্ধারা পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে বেশ কয়েকজন রাজাকারকে আটক করে। তারা রাজাকারদের প্রধান ঘাঁটি পিটিআই ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হন। শত শত মুক্তিযোদ্ধা রাজাকারদের ক্যাম্প পিটিআই ক্যাম্পাসের চারপাশ ঘিরে ফেলেন। শুরু হয় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও গুলিবর
নোয়াখালী মুক্ত দিবসকে স্মরণ রাখতে জেলা পরিষদ নোয়াখালী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) দক্ষিণ গেটের কাছে নির্মাণ করে স্মৃতিস্তম্ভ ‘মুক্ত স্কয়ার’।

যে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার বীরত্ব ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে নোয়াখালী শত্রু মুক্ত হয়েছিল তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে আজ ০৭ই ডিসেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ‘মুক্ত স্কয়ারে’ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নোয়াখালী
জেলা প্রশাসক, জবাব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান। এইসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net